প্রথম শ্রেনীর পৌরসভায় ভোগান্তি আর দুর্ভোগ যেন নিত্য দিনের সঙ্গী

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভা প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হলেও নাগরিক সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে যে ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুভাগা পাওয়ার কথা, বাস্তবে দুর্ভোগ আর ভোগান্তিতে দিন কাটছে এখানকার মানুষের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে সামান্য বৃষ্টিতেই জলজট তৈরি হচ্ছে। এই জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ রাস্তার দুপাশে বাড়ি নির্মাণের সময় দখলদারি। অনেকে বাড়ি তৈরির সময় রাস্তার জায়গা দখল করে সিঁড়ি ও ভবনের কিছু অংশ ড্রেনের ওপর নির্মাণ করেছেন। ফলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে তৈরি হচ্ছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকায় সড়কগুলোর পিচ ও সুরকি উঠে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি ডেকে আনছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সড়ক সংস্কার না হওয়ায় ছোট-বড় খানাখন্দে ভরে গেছে পৌরসভার প্রধান ও সংযোগ সড়কগুলো। ভুক্তভোগীদের মতে, এই দুর্ভোগের জন্য যেমন পৌর কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাব ও উদাসীনতা দায়ী, তেমনি সাধারণ মানুষের একটি অংশের অপরিকল্পিত ও অবৈধ দখলদারিত্ব সমানভাবে দায়ী। স্থানীয় অধিবাসীদের দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অভিযান চালিয়ে

প্রথম শ্রেনীর পৌরসভায় ভোগান্তি আর দুর্ভোগ যেন নিত্য দিনের সঙ্গী

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভা প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হলেও নাগরিক সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে যে ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুভাগা পাওয়ার কথা, বাস্তবে দুর্ভোগ আর ভোগান্তিতে দিন কাটছে এখানকার মানুষের।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে সামান্য বৃষ্টিতেই জলজট তৈরি হচ্ছে। এই জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ রাস্তার দুপাশে বাড়ি নির্মাণের সময় দখলদারি। অনেকে বাড়ি তৈরির সময় রাস্তার জায়গা দখল করে সিঁড়ি ও ভবনের কিছু অংশ ড্রেনের ওপর নির্মাণ করেছেন। ফলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে তৈরি হচ্ছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকায় সড়কগুলোর পিচ ও সুরকি উঠে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি ডেকে আনছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সড়ক সংস্কার না হওয়ায় ছোট-বড় খানাখন্দে ভরে গেছে পৌরসভার প্রধান ও সংযোগ সড়কগুলো।

ভুক্তভোগীদের মতে, এই দুর্ভোগের জন্য যেমন পৌর কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাব ও উদাসীনতা দায়ী, তেমনি সাধারণ মানুষের একটি অংশের অপরিকল্পিত ও অবৈধ দখলদারিত্ব সমানভাবে দায়ী। স্থানীয় অধিবাসীদের দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অভিযান চালিয়ে রাস্তার অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে হবে এবং ড্রেন ও সড়ক সংস্কারের মাধ্যমে তাঁদের ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর পৌরসভার পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইদুজ্জামান বলেন, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। অতি দ্রুত রাস্তার ওপর করা অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কার করা হবে। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি বড় প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এটি শেষ হলে পৌরবাসী দীর্ঘমেয়াদে এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow