ইনুর মামলায় দুজনের সাফাই সাক্ষ্য ২২ ফেব্রুয়ারি

জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে করা মামলায় তার পক্ষে সাফাই সাক্ষী গ্রহণের জন্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। হাসানুল হকের এ মামলায় এদিন তিনজনের সাক্ষ্য উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সেই সাফাই সাক্ষীদের হাজির করতে ব্যর্থ হন। তারা নতুন করে আরও তিনজন সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার আবেদন করেন। নতুন তিন সাফাই সাক্ষীর মধ্যে দুজন বাংলাদেশি এবং একজন বিদেশি। ট্রাইব্যুনাল সাফাই সাক্ষী হিসেবে দুই বাংলাদেশিকে হাজিরের অনুমতি দিলেও বিদেশি সাফাই সাক্ষীকে তা দেওয়া হয়নি। ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আসামিপক্ষের আইনজীবী সিফাত মাহমুদ বলেন, বিদেশি যে ব্যক্তিকে (ডেভিড একারসন) তারা সাফাই সাক্ষী হিস

ইনুর মামলায় দুজনের সাফাই সাক্ষ্য ২২ ফেব্রুয়ারি

জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে করা মামলায় তার পক্ষে সাফাই সাক্ষী গ্রহণের জন্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

হাসানুল হকের এ মামলায় এদিন তিনজনের সাক্ষ্য উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সেই সাফাই সাক্ষীদের হাজির করতে ব্যর্থ হন। তারা নতুন করে আরও তিনজন সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার আবেদন করেন। নতুন তিন সাফাই সাক্ষীর মধ্যে দুজন বাংলাদেশি এবং একজন বিদেশি। ট্রাইব্যুনাল সাফাই সাক্ষী হিসেবে দুই বাংলাদেশিকে হাজিরের অনুমতি দিলেও বিদেশি সাফাই সাক্ষীকে তা দেওয়া হয়নি।

ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আসামিপক্ষের আইনজীবী সিফাত মাহমুদ বলেন, বিদেশি যে ব্যক্তিকে (ডেভিড একারসন) তারা সাফাই সাক্ষী হিসেবে হাজির করতে চেয়েছিলেন, তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের একজন বিশেষজ্ঞ। তার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রুয়ান্ডা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যুগোস্লাভিয়াতে (বর্তমানে বিলুপ্ত) কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই বিদেশি এ মামলার সাক্ষ্যের জন্য প্রয়োজনীয় নন—এ বিবেচনায় তাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থাপনের অনুমতি দেননি ট্রাইব্যুনাল।

এফএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow