‘ইন্টারনেটের গতির মতো আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলবে ডিএসসিসি’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, ‘যেটা সামনে এগিয়ে যায়, সেটাকে কখনো পেছনে টেনে আনা যায় না। ইন্টারনেটের গতি যেমন এগিয়ে যাচ্ছে, তেমনি ঢাকা সিটি করপোরেশনও আধুনিকতার গতির তাল মিলিয়ে চলবে।’ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরে ধানমন্ডি আন্ডারগ্রাউন্ড কমন এক্সেস নেটওয়ার্কের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  আবদুস সালাম বলেন, ‘প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রায় ইন্টারনেট এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। তাই আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘শুধু ইন্টারনেট নয়, টেলিফোন ও কেবল টিভি নেটওয়ার্ককেও সমন্বিতভাবে আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যেতে হবে। পৃথকভাবে এসব সেবা পরিচালিত হলে তা নগরবাসীর জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি করবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানাই।’ তিনি আরও বলেন, “‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়

‘ইন্টারনেটের গতির মতো আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলবে ডিএসসিসি’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, ‘যেটা সামনে এগিয়ে যায়, সেটাকে কখনো পেছনে টেনে আনা যায় না। ইন্টারনেটের গতি যেমন এগিয়ে যাচ্ছে, তেমনি ঢাকা সিটি করপোরেশনও আধুনিকতার গতির তাল মিলিয়ে চলবে।’

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরে ধানমন্ডি আন্ডারগ্রাউন্ড কমন এক্সেস নেটওয়ার্কের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

আবদুস সালাম বলেন, ‘প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রায় ইন্টারনেট এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। তাই আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘শুধু ইন্টারনেট নয়, টেলিফোন ও কেবল টিভি নেটওয়ার্ককেও সমন্বিতভাবে আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যেতে হবে। পৃথকভাবে এসব সেবা পরিচালিত হলে তা নগরবাসীর জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি করবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

তিনি আরও বলেন, “‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়ে তুলতে আন্ডারগ্রাউন্ড অবকাঠামোর বিকল্প নেই। আগে খোলা আকাশের নিচে তারের জটলা নগরের সৌন্দর্য নষ্ট করত। এখন ধানমন্ডিতে এ ব্যবস্থা চালুর ফলে বাসিন্দারা সেই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এ কার্যক্রম ধীরে ধীরে পুরো ঢাকায় সম্প্রসারণ করা হবে।’

শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ এলাকায় ফ্রি ইন্টারনেট জোন চালুর প্রস্তাব দেন ডিএসসিসি প্রশাসক। এতে শিক্ষার্থীরা সহজে প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পাবে বলে তিনি মনে করেন।

ডিএসসিসির ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নগর উন্নয়নে সিটি করপোরেশন সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।’

এ ছাড়া ধানমন্ডিকে একটি ঐতিহ্যবাহী আবাসিক এলাকা হিসেবে উল্লেখ করে এর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ধানমন্ডি লেককে বাণিজ্যিক ব্যবহার থেকে বিরত রাখার আহ্বান জানিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় আন্ডারগ্রাউন্ড অবকাঠামো উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আইএসপিএবির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ এমদাদ উল বারী, আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়াসহ অন্যান্যরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow