ইন্দোনেশিয়ায় বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় যশোর জিলা স্কুলের স্বর্ণপদক জয়
ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত দুটি পৃথক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় গোল্ড মেডেল (স্বর্ণপদক) অর্জন করেছে যশোর জিলা স্কুলের ‘ফিউচার সায়েন্টিস্ট’ দল। শুক্রবার (৫জুন) ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার ‘উনিভার্সিতাস নেগেরি জাকার্তা’ (ইউএনজে) বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী প্রতিযোগিতায় জিলা স্কুলের দলটি এ অনন্য গৌরব অর্জন করে। জানা গেছে, বিশ্বের ৫৫টি দেশের প্রায় ২০০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে লড়াই করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের তরুণ বিজ্ঞানীরা এ অর্জন করেছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, যশোর জিলা স্কুলের ‘ফিউচার সায়েন্টিস্ট’ দলের সদস্য বিদ্যালয়টি দুই শিক্ষার্থী। তারা হলেন- এস এম জাওয়াদ হোসেন ও রাইয়ান সাদিক। তারা দুজনেই বিদ্যালয়টির দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। এর মধ্যে দলনেতা জাওয়াদ হাসান দিবা শিফটের এবং রাইয়ান সাদিক প্রভাতি শিফটের শিক্ষার্থী। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, রোবোটিক্স এবং উদ্ভাবনভিত্তিক বিভিন্ন গবেষণামূলক প্রকল্প নিয়ে কাজ করে আসছেন। তাদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবেই এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশগ্রহণের সুযোগ আসে। সাফল্যের অনুভূতি ব্যক্ত করে এস এম জাওয়াদ হোসেন ও রা
ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত দুটি পৃথক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় গোল্ড মেডেল (স্বর্ণপদক) অর্জন করেছে যশোর জিলা স্কুলের ‘ফিউচার সায়েন্টিস্ট’ দল।
শুক্রবার (৫জুন) ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার ‘উনিভার্সিতাস নেগেরি জাকার্তা’ (ইউএনজে) বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী প্রতিযোগিতায় জিলা স্কুলের দলটি এ অনন্য গৌরব অর্জন করে।
জানা গেছে, বিশ্বের ৫৫টি দেশের প্রায় ২০০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে লড়াই করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের তরুণ বিজ্ঞানীরা এ অর্জন করেছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, যশোর জিলা স্কুলের ‘ফিউচার সায়েন্টিস্ট’ দলের সদস্য বিদ্যালয়টি দুই শিক্ষার্থী। তারা হলেন- এস এম জাওয়াদ হোসেন ও রাইয়ান সাদিক। তারা দুজনেই বিদ্যালয়টির দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। এর মধ্যে দলনেতা জাওয়াদ হাসান দিবা শিফটের এবং রাইয়ান সাদিক প্রভাতি শিফটের শিক্ষার্থী। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, রোবোটিক্স এবং উদ্ভাবনভিত্তিক বিভিন্ন গবেষণামূলক প্রকল্প নিয়ে কাজ করে আসছেন। তাদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবেই এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশগ্রহণের সুযোগ আসে।
সাফল্যের অনুভূতি ব্যক্ত করে এস এম জাওয়াদ হোসেন ও রাইয়ান সাদিক জানান, ‘ফিউচার সায়েন্টিস্ট’ দলের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো মূলত বাস্তব জীবনের বিভিন্ন জটিল সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উদ্ভাবন উপস্থাপনের মাধ্যমে তারা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও অমিত সম্ভাবনাকে সফলভাবে তুলে ধরেছেন।
তারা আরও বলেন, এটি কেবল একটি পদক অর্জনের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের তরুণ উদ্ভাবকদের স্বপ্নকে বিশ্বমঞ্চে ডানা মেলার একটি পদক্ষেপ। বিশ্বের নানা দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। এ অর্জন আমাদের দীর্ঘ পরিশ্রম, গবেষণা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং সকলের দোয়া ও সমর্থনের ফল। এই সাফল্যের জন্য আমরা আমাদের শিক্ষক, অভিভাবক এবং সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
যশোর জিলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়নুল আবেদীন এ গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্বের ৫৫টি দেশের ২০০ জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের ছাত্রদের এ অর্জন নিঃসন্দেহে অনন্য এবং অনেক গর্বের।’
মিলন রহমান/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?