ইবি শিক্ষক হত্যা, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সেই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি খন্দকার ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (০৭ মার্চ) সকালে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে ফজলুর রহমান গুরুতর আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, মামলার প্রধান আসামি ফজলুর রহমান গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে হাসপাতালেই পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলু আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হত্যার দায় স্বীকার করে পুলিশের কাছে লিখিত জবানবন্দি দিয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, যেহেতু হত্যা মামলা হয়েছে, তাই আমরা আমাদের মতো কাজ শুরু করেছি। আপাতত প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশ কাজ করছে। যেহেতু মামলার দুজন আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আমরা এ ব্যাপারে আরেকটু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে ইসলামী বিশ্বব
কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি খন্দকার ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (০৭ মার্চ) সকালে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বর্তমানে ফজলুর রহমান গুরুতর আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, মামলার প্রধান আসামি ফজলুর রহমান গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে হাসপাতালেই পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলু আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হত্যার দায় স্বীকার করে পুলিশের কাছে লিখিত জবানবন্দি দিয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, যেহেতু হত্যা মামলা হয়েছে, তাই আমরা আমাদের মতো কাজ শুরু করেছি। আপাতত প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারেও পুলিশ কাজ করছে। যেহেতু মামলার দুজন আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আমরা এ ব্যাপারে আরেকটু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় কর্মচারী ফজলুর রহমানসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অপর তিন আসামি হচ্ছেন— সাবেক কর্মচারী উপ-রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান।
What's Your Reaction?