ইরাকের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানপন্থি মিলিশিয়াদের হামলা
ইরাকে বিমানবন্দরের কাছে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রোববার (১ মার্চ) ভোরে ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর আবাসস্থল ইরবিল বিমানবন্দরের কাছে জোরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বার্তাসংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এএফপির এক সাংবাদিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। শনিবার মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী ইরবিলের ওপর বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইরানপন্থি মিলিশিয়া গোষ্ঠী সারায়া আউলিয়া আল-দাম ইরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিতে ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করে এটিকে নিজেদের ধর্মীয় কর্তব্য পালন বলে অভিহিত করেছে।
এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, ইহুদি-আমেরিকান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সমর্থনে এবং ইরাকের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাসের কারণে একটি দক্ষ ড্রোন অভিযান পরিচালনা করা হয়।
যদিও এই হামলার ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি
ইরাকে বিমানবন্দরের কাছে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রোববার (১ মার্চ) ভোরে ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর আবাসস্থল ইরবিল বিমানবন্দরের কাছে জোরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বার্তাসংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এএফপির এক সাংবাদিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। শনিবার মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী ইরবিলের ওপর বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইরানপন্থি মিলিশিয়া গোষ্ঠী সারায়া আউলিয়া আল-দাম ইরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিতে ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করে এটিকে নিজেদের ধর্মীয় কর্তব্য পালন বলে অভিহিত করেছে।
এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, ইহুদি-আমেরিকান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সমর্থনে এবং ইরাকের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাসের কারণে একটি দক্ষ ড্রোন অভিযান পরিচালনা করা হয়।
যদিও এই হামলার ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর ঘোষণা ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়াদের মাঝে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।