ইরান ইস্যুতে আরও কঠোর হতে পারেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আছেন। তবে আপাতত সামরিক অভিযান চলছেই। এতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে।
কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, ইরানের ড্রোন হামলা প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের নৌবাহিনী প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রমও সীমিত হয়ে গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।
এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালায়, যার প্রভাব পড়ে ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আছেন। তবে আপাতত সামরিক অভিযান চলছেই। এতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে।
কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, ইরানের ড্রোন হামলা প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের নৌবাহিনী প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রমও সীমিত হয়ে গেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।
এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালায়, যার প্রভাব পড়ে ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে।