ইরান ইস্যুতে চীন-পাকিস্তানের ফোনালাপ

পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। মঙ্গলবার (১২ মে) তাদের মধ্যে এ ফোনালাপ হয়। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের গঠনমূলক মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে উভয় পক্ষ দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতির গুরুত্বের ওপর জোর দেয়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইসহাক দার তার চীনা সমকক্ষের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন। দুই নেতা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পাকিস্তানের চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নিতে কাজ করছে, যার লক্ষ্য অঞ্চল ও বিশ্বের স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। আলোচনার সময় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রতি প্রশংসা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষ দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে স্বাভাবিক নৌ

ইরান ইস্যুতে চীন-পাকিস্তানের ফোনালাপ
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। মঙ্গলবার (১২ মে) তাদের মধ্যে এ ফোনালাপ হয়। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের গঠনমূলক মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে উভয় পক্ষ দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতির গুরুত্বের ওপর জোর দেয়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইসহাক দার তার চীনা সমকক্ষের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন। দুই নেতা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পাকিস্তানের চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নিতে কাজ করছে, যার লক্ষ্য অঞ্চল ও বিশ্বের স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। আলোচনার সময় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রতি প্রশংসা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষ দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে স্বাভাবিক নৌ চলাচল নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। এ সময় দুই নেতা পাকিস্তান ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কার্যক্রম, সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের সফর এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার নানা বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে উভয় দেশ সম্মত হয়েছে। এর আগে পাকিস্তান গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতা করেছিল। পরে ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে উভয় দেশের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সংঘাতের স্থায়ী সমাধানে তখন কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এরপর থেকে দুই পক্ষই সমাধানের পথ খুঁজতে প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব বিনিময় করে যাচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো সরাসরি দ্বিতীয় দফার আলোচনা পুনরায় শুরু করা। এই সংঘাত ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। পাকিস্তান এখনও সরাসরি আলোচনা পুনরায় শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী। তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে ইরান তাদের পারমাণবিক ইস্যুতে আগের অবস্থান থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আনেনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow