ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন নেতানিয়াহু

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো মতবিরোধ নেই বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, দুই নেতা একই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছেন এবং ইরানকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না। রোববার (০৫ জুলাই) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ট্রাম্প ও তার মধ্যে কোনো ফাটল নেই। তিনি বলেন, ট্রাম্প আমেরিকার জন্য যা ভালো, সেটাই করেন। আমি ইসরায়েলের নেতা হিসেবে দেশের স্বার্থে কাজ করি। ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের অবস্থান এক। তবে যেকোনো পরিবার বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের মতো কখনো কখনো মতপার্থক্য হয়। আমরা খোলামেলাভাবে আলোচনা করি এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানে পৌঁছাই। আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে যেতে পারেন উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বা তা তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখাই উভয়ের অভিন্ন লক্ষ্য। ইরানের সঙ্গে চলমান সমঝোতা স্মারক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলোচনার চূড়ান্ত ফলাফল না আসা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তার মতে, এখনই মূল্যায়নের সময় নয়। সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন নেতানিয়াহু

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো মতবিরোধ নেই বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, দুই নেতা একই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছেন এবং ইরানকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না।

রোববার (০৫ জুলাই) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ট্রাম্প ও তার মধ্যে কোনো ফাটল নেই।

তিনি বলেন, ট্রাম্প আমেরিকার জন্য যা ভালো, সেটাই করেন। আমি ইসরায়েলের নেতা হিসেবে দেশের স্বার্থে কাজ করি। ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের অবস্থান এক। তবে যেকোনো পরিবার বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের মতো কখনো কখনো মতপার্থক্য হয়। আমরা খোলামেলাভাবে আলোচনা করি এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানে পৌঁছাই।

আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে যেতে পারেন উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বা তা তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখাই উভয়ের অভিন্ন লক্ষ্য।

ইরানের সঙ্গে চলমান সমঝোতা স্মারক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলোচনার চূড়ান্ত ফলাফল না আসা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তার মতে, এখনই মূল্যায়নের সময় নয়। সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র বা সেই সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে।

তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জনাজা প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু দাবি করেন, সেখানে ‘আমেরিকার মৃত্যু’ এবং ‘ট্রাম্পকে হত্যা করো’ এ ধরনের স্লোগান দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ইসরায়েলে এমন কিছু কখনো শোনা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র হলো ইসরায়েল। আর ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow