ইরান চুক্তিতে ‘সংশোধনী’ চান ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে কয়েকটি ‘সংশোধনী’ আনার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে এক বৈঠকে ট্রাম্প তার দলকে ওই চুক্তির কয়েকটি ধারা পরিবর্তন করতে বলেন। আল জাজিরার রোববার (৩১ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশোধনের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কিত বিষয়গুলো রয়েছে। বর্তমানে চুক্তিতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার করেছে, তবে এর বাইরে নির্দিষ্ট কিছু ছাড়ের বিস্তারিত নেই। একজন ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘এটি মূলত কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত পাবে এবং তার সময়সূচি কী হবে সেসব নির্দিষ্ট করার বিষয়।’ আরেকটি সূত্র জানায়, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়টি ঘিরেও পরিবর্তন আনতে চান। সূত্রগুলো আরও জানায়, ইরানের প্রতিক্রিয়া পেতে তিন দিন সময় লাগতে পারে। এক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, ‘সপ্তাহের শুরুতেই আমরা কিছু একটি পাওয়ার আশা করছি।’ এর আগে, ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের ইরান যাওয়া উচিত হয়নি, তবে ইরানের সক্ষমতা আছে। আমরা যদি ৯ মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না করতাম, তাহ
ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে কয়েকটি ‘সংশোধনী’ আনার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে এক বৈঠকে ট্রাম্প তার দলকে ওই চুক্তির কয়েকটি ধারা পরিবর্তন করতে বলেন।
আল জাজিরার রোববার (৩১ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশোধনের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কিত বিষয়গুলো রয়েছে। বর্তমানে চুক্তিতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার করেছে, তবে এর বাইরে নির্দিষ্ট কিছু ছাড়ের বিস্তারিত নেই।
একজন ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘এটি মূলত কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত পাবে এবং তার সময়সূচি কী হবে সেসব নির্দিষ্ট করার বিষয়।’
আরেকটি সূত্র জানায়, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়টি ঘিরেও পরিবর্তন আনতে চান।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ইরানের প্রতিক্রিয়া পেতে তিন দিন সময় লাগতে পারে। এক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, ‘সপ্তাহের শুরুতেই আমরা কিছু একটি পাওয়ার আশা করছি।’
এর আগে, ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের ইরান যাওয়া উচিত হয়নি, তবে ইরানের সক্ষমতা আছে। আমরা যদি ৯ মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না করতাম, তাহলে এখন তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকত এবং পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন হতো। তখন হয়তো ইসরায়েল থাকত না, এমনকি পুরো মধ্যপ্রাচ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠে যেত। এরপর তারা কোথায় যেত?’
What's Your Reaction?