ইরান তার নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে: সর্বোচ্চ নেতা
শ্রমিক ও শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা খামেনেয়ী'র বার্তাটি প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি এই বার্তায় বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান শত্রুদের বিরুদ্ধে সামরিক লড়াইয়ে নিজের উল্লেখযোগ্য সক্ষমতার একটি অংশ বিশ্ববাসীর কাছে প্রমাণ করেছে; অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও তাদেরকে পরাজিত করতে হবে। সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, একজন শ্রমিক নিষ্ঠা ও সৎ কর্মের আলোকে কখনো কখনো এমন মর্যাদা অর্জন করে যে, তার হাতও দয়াশীল শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের হাতের মতো কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার চুম্বনে সম্মানিত হওয়ার যোগ্য হয়ে ওঠে। পরিশ্রম ও প্রতিশ্রুতি পালন—প্রতিটি বড় সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি। বিস্তৃত কর্মপরিধি এই দুই উপাদান থেকে যত বেশি উপকৃত হবে, ততই দেশের অগ্রগতি আরও বেশি এবং ভালোভাবে নিশ্চিত হবে। সর্বোচ্চ নেতা বলেন, কর্মক্ষেত্র একটি বিস্তৃত পরিসর, যা পুরো দেশের মতোই বিস্তৃত- ঘরের ভেতর থেকে শুরু করে দপ্তর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কৃষিক্ষেত্র, কর্মশালা, কারখানা, খনি এবং বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক পেশা পর্যন্ত বিস্তৃত। আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা খামেনেয়ী আরও বলেন, জ্ঞান শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্
শ্রমিক ও শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা খামেনেয়ী'র বার্তাটি প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি এই বার্তায় বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান শত্রুদের বিরুদ্ধে সামরিক লড়াইয়ে নিজের উল্লেখযোগ্য সক্ষমতার একটি অংশ বিশ্ববাসীর কাছে প্রমাণ করেছে; অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও তাদেরকে পরাজিত করতে হবে।
সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, একজন শ্রমিক নিষ্ঠা ও সৎ কর্মের আলোকে কখনো কখনো এমন মর্যাদা অর্জন করে যে, তার হাতও দয়াশীল শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের হাতের মতো কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার চুম্বনে সম্মানিত হওয়ার যোগ্য হয়ে ওঠে। পরিশ্রম ও প্রতিশ্রুতি পালন—প্রতিটি বড় সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি। বিস্তৃত কর্মপরিধি এই দুই উপাদান থেকে যত বেশি উপকৃত হবে, ততই দেশের অগ্রগতি আরও বেশি এবং ভালোভাবে নিশ্চিত হবে।
সর্বোচ্চ নেতা বলেন, কর্মক্ষেত্র একটি বিস্তৃত পরিসর, যা পুরো দেশের মতোই বিস্তৃত- ঘরের ভেতর থেকে শুরু করে দপ্তর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, কৃষিক্ষেত্র, কর্মশালা, কারখানা, খনি এবং বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক পেশা পর্যন্ত বিস্তৃত।
আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতাবা খামেনেয়ী আরও বলেন, জ্ঞান শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গির বিকাশ ও পরিচয় গঠনের একটি বড় দায়িত্ব শিক্ষকের ওপর ন্যস্ত। প্রতিটি দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি জ্ঞান ও কর্ম- এই দুই ডানার ওপর নির্ভরশীল। এর প্রথম ধাপেই শিক্ষক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সূত্র- পার্সটুডে।
What's Your Reaction?