‘ইরান না পারলে কেউ তেল রপ্তানি করতে পারবে না’

তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-এর গবেষক ও লেখক আলি আকবর দারেইনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য একটি বৃহত্তর সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শনিবার (৬ জুন) আল জাজিরা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। দারেইনি বলেন, “যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপ আমাদের আরও বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই মুহূর্তে আমরা কার্যত একটি নিম্নমাত্রার যুদ্ধের মধ্যে আছি। ফলে বর্তমানে কোনো কার্যকর যুদ্ধবিরতি নেই।” তিনি জানান, পারস্য উপসাগরে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য ইরান তিনটি শর্ত চায়। প্রথমত, জাহাজগুলোকে ইরানের নির্ধারিত করিডোর ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া সেবার জন্য কর পরিশোধ করতে হবে। তৃতীয়ত, এমন কোনো পণ্য পরিবহন করা যাবে না যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে বা দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ব্যবহৃত হতে পারে। দারেইনির দাবি, এসব শর্ত মেনে ইরান প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজকে প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দিচ্ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চায় না, যার ফলে উত্

‘ইরান না পারলে কেউ তেল রপ্তানি করতে পারবে না’

তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-এর গবেষক ও লেখক আলি আকবর দারেইনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য একটি বৃহত্তর সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার (৬ জুন) আল জাজিরা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দারেইনি বলেন, “যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপ আমাদের আরও বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই মুহূর্তে আমরা কার্যত একটি নিম্নমাত্রার যুদ্ধের মধ্যে আছি। ফলে বর্তমানে কোনো কার্যকর যুদ্ধবিরতি নেই।”

তিনি জানান, পারস্য উপসাগরে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য ইরান তিনটি শর্ত চায়। প্রথমত, জাহাজগুলোকে ইরানের নির্ধারিত করিডোর ব্যবহার করতে হবে। 
দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া সেবার জন্য কর পরিশোধ করতে হবে। তৃতীয়ত, এমন কোনো পণ্য পরিবহন করা যাবে না যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে বা দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ব্যবহৃত হতে পারে।

দারেইনির দাবি, এসব শর্ত মেনে ইরান প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজকে প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দিচ্ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চায় না, যার ফলে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

ইরানের সামরিক অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার চেয়ে ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ার পরিধি বাড়াতেই বেশি আগ্রহী, এমনকি তা বড় ধরনের যুদ্ধের দিকে গড়ালেও।”

তিনি আরও বলেন, “ইরানের রেড লাইন খুবই স্পষ্ট— ইরান যদি তেল রপ্তানি করতে না পারে, তাহলে এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশও তা করতে পারবে না।”

সূত্র: আল জাজিরা

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow