ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭ যুদ্ধবিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

চলমান ইরান যুদ্ধের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে। সর্বশেষ দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর মোট ধ্বংস হওয়া মার্কিন বিমানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত সাতটিতে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি এফ-৩৫ ও একটি এ-১০ শুক্রবার পৃথক ঘটনায় ধ্বংস হয়। এর আগে সংঘাতের বিভিন্ন পর্যায়ে আরও পাঁচটি বিমান হারিয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনী। ২ মার্চ কুয়েতের আকাশে ফ্রেন্ডলি ফায়ার বা নিজস্ব বাহিনীর ভুলবশত হামলায় তিনটি এফ-১৫ ভূপাতিত হয়। সৌভাগ্যবশত, ছয়জন ক্রু সদস্যই নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। ১২ মার্চ ইরাকে একটি কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার প্লেন বিধ্বস্ত হলে ছয়জন মার্কিন বিমানকর্মীর মৃত্যু হয়। মার্কিন সেনাবাহিনী জানায়, এটি শত্রুপক্ষের হামলায় নয়, বরং অপারেশনের সময় অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ঘটনার জেরে দুর্ঘটনা ঘটে। ২৭ মার্চ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে ইরানের হামলায় একটি ই-৩ সেন্ট্রি মাটিতেই ধ্বংস হয়ে যায়। এতে অন্তত ১০ জন মার্কিন সেনা আহত হন। একই হামলায় একটি ট্যাংকার বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া, একটি এফ-৩৫ ইরানের সম্ভাব্য হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের

ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭ যুদ্ধবিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

চলমান ইরান যুদ্ধের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে। সর্বশেষ দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর মোট ধ্বংস হওয়া মার্কিন বিমানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত সাতটিতে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি এফ-৩৫ ও একটি এ-১০ শুক্রবার পৃথক ঘটনায় ধ্বংস হয়।

এর আগে সংঘাতের বিভিন্ন পর্যায়ে আরও পাঁচটি বিমান হারিয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনী।

২ মার্চ কুয়েতের আকাশে ফ্রেন্ডলি ফায়ার বা নিজস্ব বাহিনীর ভুলবশত হামলায় তিনটি এফ-১৫ ভূপাতিত হয়। সৌভাগ্যবশত, ছয়জন ক্রু সদস্যই নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

১২ মার্চ ইরাকে একটি কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার প্লেন বিধ্বস্ত হলে ছয়জন মার্কিন বিমানকর্মীর মৃত্যু হয়। মার্কিন সেনাবাহিনী জানায়, এটি শত্রুপক্ষের হামলায় নয়, বরং অপারেশনের সময় অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ঘটনার জেরে দুর্ঘটনা ঘটে।

২৭ মার্চ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে ইরানের হামলায় একটি ই-৩ সেন্ট্রি মাটিতেই ধ্বংস হয়ে যায়। এতে অন্তত ১০ জন মার্কিন সেনা আহত হন। একই হামলায় একটি ট্যাংকার বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এছাড়া, একটি এফ-৩৫ ইরানের সম্ভাব্য হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষয়ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ আধুনিক যুদ্ধবিমানের এমন ধারাবাহিক ক্ষতি সংঘাতের তীব্রতা ও জটিলতাকে স্পষ্ট করে। এটি আকাশযুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধ সক্ষমতা নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

সূত্র: সিএনএন

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow