ইরান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর ২৪ ড্রোন বিধ্বস্ত, ক্ষতি ৩০০ কোটি ডলার

ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে। মাসের শুরুতে এই সংখ্যা ছিল ১ অর্থাৎ ১ থেকে ৯ এপ্রিলের মধ্যে আরও ৮টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান। বিধ্বস্ত হওয়া এসব এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের মূল্য ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। ইরানের শিরাজ এবং কিশ দ্বীপের আশপাশে এসব ড্রোনে হামলা বেশি হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করে মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ। একই সময়ে মার্কিন নৌবাহিনীর এমকিউ-৪সি ট্রাইটন যা আরও মূল্যবান নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই নজরদারি ড্রোনটিও ইরানি বাহিনী ভূপাতিত করেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল-এর দুই পাইলটকে উদ্ধার অভিযানে আরও দুটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করে ইরান। এই যুদ্ধে বেশ কিছু সংখ্যক ইসরায়েলের হারমিস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উইন লং II ড্রোন ধ্বংস করেছে ইরানের বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি) বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষয়ক্ষতির হার বাড়ার পেছনে একটি বড় কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া। ফলে তারা এখন কম খরচের, স্বল্পপাল্লার

ইরান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর ২৪ ড্রোন বিধ্বস্ত, ক্ষতি ৩০০ কোটি ডলার

ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে। মাসের শুরুতে এই সংখ্যা ছিল ১ অর্থাৎ ১ থেকে ৯ এপ্রিলের মধ্যে আরও ৮টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান। বিধ্বস্ত হওয়া এসব এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের মূল্য ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি।

ইরানের শিরাজ এবং কিশ দ্বীপের আশপাশে এসব ড্রোনে হামলা বেশি হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করে মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ।

একই সময়ে মার্কিন নৌবাহিনীর এমকিউ-৪সি ট্রাইটন যা আরও মূল্যবান নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই নজরদারি ড্রোনটিও ইরানি বাহিনী ভূপাতিত করেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল-এর দুই পাইলটকে উদ্ধার অভিযানে আরও দুটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করে ইরান। এই যুদ্ধে বেশ কিছু সংখ্যক ইসরায়েলের হারমিস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উইন লং II ড্রোন ধ্বংস করেছে ইরানের বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি)

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষয়ক্ষতির হার বাড়ার পেছনে একটি বড় কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া। ফলে তারা এখন কম খরচের, স্বল্পপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালাতে বাধ্য হচ্ছে। এসব হামলা সফল করার জন্য ব্যয়বহুল এসব ড্রোনকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ মিশনে পাঠানো হয়েছিল।

কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow