ইরানে ‘অননুমোদিত’ হামলা বন্ধ না হলে ‘অন্তহীন সমস্যার’ সৃষ্টি হবে: চীন

মধ্যপ্রাচ্যে ‘অননুমোদিত’ সামরিক অভিযান সমর্থন না করার আহ্বান জানিয়েছে চীন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি সতর্ক করে বলেন, চলমান সংঘাত অব্যাহত থাকলে তা ‘অন্তহীন সমস্যার’ সৃষ্টি করতে পারে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা শিনহুয়ার বরাতে জানা গেছে, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ-এর সঙ্গে ফোনালাপে ওয়াং ই বলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে হরমুজ প্রণালি অস্থিতিশীলই থাকবে। ওয়াং বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুদ্ধবিরতিতে মনোযোগ দেওয়া। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ-এর পদক্ষেপ যেন সংঘাতকে আরও উসকে না দেয় এবং অননুমোদিত সামরিক অভিযানকে বৈধতা না দেয়। অন্যথায় তা অন্তহীন সমস্যার সৃষ্টি করবে, যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে ছোট ও মাঝারি দেশগুলো। এর আগে, বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিন রাশেদ আই যায়েনিকেও একই ধরনের আহ্বান জানান ওয়াং ই। ওই সময় নিরাপত্তা পরিষদে বাহরাইনের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এমন আহ্বান জানিয়ে

ইরানে ‘অননুমোদিত’ হামলা বন্ধ না হলে ‘অন্তহীন সমস্যার’ সৃষ্টি হবে: চীন

মধ্যপ্রাচ্যে ‘অননুমোদিত’ সামরিক অভিযান সমর্থন না করার আহ্বান জানিয়েছে চীন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি সতর্ক করে বলেন, চলমান সংঘাত অব্যাহত থাকলে তা ‘অন্তহীন সমস্যার’ সৃষ্টি করতে পারে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা শিনহুয়ার বরাতে জানা গেছে, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ-এর সঙ্গে ফোনালাপে ওয়াং ই বলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে হরমুজ প্রণালি অস্থিতিশীলই থাকবে।

ওয়াং বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুদ্ধবিরতিতে মনোযোগ দেওয়া। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ-এর পদক্ষেপ যেন সংঘাতকে আরও উসকে না দেয় এবং অননুমোদিত সামরিক অভিযানকে বৈধতা না দেয়। অন্যথায় তা অন্তহীন সমস্যার সৃষ্টি করবে, যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে ছোট ও মাঝারি দেশগুলো।

এর আগে, বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিন রাশেদ আই যায়েনিকেও একই ধরনের আহ্বান জানান ওয়াং ই। ওই সময় নিরাপত্তা পরিষদে বাহরাইনের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছিল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এমন আহ্বান জানিয়ে চীন। ওই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১,৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়তুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছে।

এর জবাবে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে হতাহতের পাশাপাশি অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে এবং বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।

তেহরান হরমুজ প্রণালির ওপর কার্যত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে—যা এশিয়ার দেশগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। ইরান কেবল তাদের বন্ধু হিসেবে চিহ্নিত দেশের জাহাজগুলোকে এই পথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow