ইরানে আইআরজিসির ওপর হামলা করতে ট্রাম্পের কাছে ধরনা

নির্বাসিত ইরানি যুবরাজ রেজা পাহলভি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত সাধারণ জনগণকে সমর্থন দিতে আইআরজিসির ওপর হামলা প্রয়োজন। সোমবার সেলেম নিউজ চ্যানেলে রেডিও উপস্থাপক হিউ হিউইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাহলভি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপই কেবল বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর শক্তির ভারসাম্য তৈরি করতে পারে। তিনি আইআরজিসিকে সরকারের প্রধান দমনযন্ত্র হিসেবে আখ্যা দেন। পাহলভি বলেন, এটি ধীরে ধীরে একটি গণবিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। নিজেদের মুক্তির জন্য যে সাহসী ইরানিরা লড়াই করছে, তাদের জন্য মাঠ সমান করার একমাত্র উপায় হলো ‘প্রয়োজনীয় সহায়তা’। সেই শক্তিগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে হবে যে শক্তি সরকার (খামেনির প্রশাসন) নিজ নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। তিনি আরও বলেন, ইরানি জনগণ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুত সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছে এবং তারা আশা করছে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে সেই সহায়তা আসবে। ব

ইরানে আইআরজিসির ওপর হামলা করতে ট্রাম্পের কাছে ধরনা

নির্বাসিত ইরানি যুবরাজ রেজা পাহলভি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত সাধারণ জনগণকে সমর্থন দিতে আইআরজিসির ওপর হামলা প্রয়োজন।

সোমবার সেলেম নিউজ চ্যানেলে রেডিও উপস্থাপক হিউ হিউইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাহলভি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপই কেবল বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর শক্তির ভারসাম্য তৈরি করতে পারে। তিনি আইআরজিসিকে সরকারের প্রধান দমনযন্ত্র হিসেবে আখ্যা দেন।

পাহলভি বলেন, এটি ধীরে ধীরে একটি গণবিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে। নিজেদের মুক্তির জন্য যে সাহসী ইরানিরা লড়াই করছে, তাদের জন্য মাঠ সমান করার একমাত্র উপায় হলো ‘প্রয়োজনীয় সহায়তা’। সেই শক্তিগুলোকে নিষ্ক্রিয় করতে হবে যে শক্তি সরকার (খামেনির প্রশাসন) নিজ নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

তিনি আরও বলেন, ইরানি জনগণ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুত সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছে এবং তারা আশা করছে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে সেই সহায়তা আসবে।

বিশ্লেষকদের মতে, পাহলভির এই বক্তব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের উত্তেজনাকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে। যদিও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow