ইরানে আবারও মার্কিন আগ্রাসন হলে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে এর জবাবে ভয়াবহ পাল্টা হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে হোয়াইট হাউসের অপমানের পুনরাবৃত্তি হিসেবে আখ্যা দেয় এবং দাবি করে, ইরানি জাতির কাছে অহংকারী শক্তির পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। রোববার (২৬ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে ডন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিটি ১৯৮০ সালে পূর্ব ইরানের তাবাসে ব্যর্থ মার্কিন সামরিক অভিযান অপারেশন ঈগল ক্ল-এর বার্ষিকীতে প্রকাশ করা হয়। এতে তৃতীয় আরোপিত মার্কিন-জায়নিস্ট যুদ্ধ-এর প্রসঙ্গ টেনে ইরান নিজেদের বড় বিজয়ের কথা উল্লেখ করে এবং চলমান সামরিক পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রিত নীরবতার পর্যায়ে আছে বলে জানায়। আইআরজিসি জানায়, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর এই শক্তিশালী ও বুদ্ধিদীপ্ত নীরবতা কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনায় এটি কৌশলগত পদক্ষেপ। তবে শত্রুপক্ষ কোনো ভুল হিসাব করে নতুন করে হামলা চালালে এই নীরবতা যে কোনো সময় নরকসম ঝড়ে রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের ভূখণ্ড শুধু তাবাস বা ইসফাহা
যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে এর জবাবে ভয়াবহ পাল্টা হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে হোয়াইট হাউসের অপমানের পুনরাবৃত্তি হিসেবে আখ্যা দেয় এবং দাবি করে, ইরানি জাতির কাছে অহংকারী শক্তির পরাজয় অবশ্যম্ভাবী।
রোববার (২৬ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে ডন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিটি ১৯৮০ সালে পূর্ব ইরানের তাবাসে ব্যর্থ মার্কিন সামরিক অভিযান অপারেশন ঈগল ক্ল-এর বার্ষিকীতে প্রকাশ করা হয়। এতে তৃতীয় আরোপিত মার্কিন-জায়নিস্ট যুদ্ধ-এর প্রসঙ্গ টেনে ইরান নিজেদের বড় বিজয়ের কথা উল্লেখ করে এবং চলমান সামরিক পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রিত নীরবতার পর্যায়ে আছে বলে জানায়।
আইআরজিসি জানায়, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর এই শক্তিশালী ও বুদ্ধিদীপ্ত নীরবতা কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনায় এটি কৌশলগত পদক্ষেপ। তবে শত্রুপক্ষ কোনো ভুল হিসাব করে নতুন করে হামলা চালালে এই নীরবতা যে কোনো সময় নরকসম ঝড়ে রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের ভূখণ্ড শুধু তাবাস বা ইসফাহানে সীমাবদ্ধ নয়; প্রয়োজনে পুরো অঞ্চলই আগ্রাসীদের পরাজয় ও অপমানের ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে বাস্তবতা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, তারা যেন খেলনার মতো আচরণ না করে।
আইআরজিসি দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো ইতোমধ্যে ধ্বংস ও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো পুনর্গঠনের সক্ষমতা নেই। ওয়াশিংটনের সামনে এখন একমাত্র পথ হলো দ্রুত ও নিঃশর্তভাবে অঞ্চল থেকে সরে যাওয়া।
বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালির কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়, যা ইরানের সামরিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালায়, যাতে ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও পরিবারের সদস্যসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর গত ৮ এপ্রিল কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা শুরু হলেও যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবির কারণে তা ভেস্তে যায়।
What's Your Reaction?