ইরানে টানা ১৩৪৪ ঘণ্টা ধরে ইন্টারনেট বিপর্যয়

ইরানে সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বন্ধের পরিস্থিতি টানা ৫৭ দিনে গড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, দেশটিতে ১,৩৪৪ ঘণ্টা ধরে এই ব্যাপক সীমাবদ্ধতা অব্যাহত রয়েছে। খবর আল-জাজিরার।  শনিবার সংস্থাটি জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যত ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলছে, যা এখন আট সপ্তাহ পেরিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই বিধিনিষেধের সূচনা হয় জানুয়ারির শুরুতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর। পরে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর পরিস্থিতি আরও কঠোর হয়। নেটব্লকসের মতে, এই দীর্ঘস্থায়ী ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা ইরানের মানুষের কণ্ঠরোধ করছে। পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের ক্ষতি করছে। এদিকে ইসরায়েলের হয়ে কাজ করার অভিযোগে ইরানে ইরফান কায়ানি নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারিতে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল ওই ব্যক্

ইরানে টানা ১৩৪৪ ঘণ্টা ধরে ইন্টারনেট বিপর্যয়

ইরানে সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বন্ধের পরিস্থিতি টানা ৫৭ দিনে গড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, দেশটিতে ১,৩৪৪ ঘণ্টা ধরে এই ব্যাপক সীমাবদ্ধতা অব্যাহত রয়েছে। খবর আল-জাজিরার। 

শনিবার সংস্থাটি জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যত ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলছে, যা এখন আট সপ্তাহ পেরিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এই বিধিনিষেধের সূচনা হয় জানুয়ারির শুরুতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর। পরে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর পরিস্থিতি আরও কঠোর হয়।

নেটব্লকসের মতে, এই দীর্ঘস্থায়ী ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা ইরানের মানুষের কণ্ঠরোধ করছে। পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের ক্ষতি করছে।

এদিকে ইসরায়েলের হয়ে কাজ করার অভিযোগে ইরানে ইরফান কায়ানি নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারিতে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ইসরায়েলের একজন ‘এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করছিলেন।

ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রথমে ‘সন্ত্রাস সৃষ্টি’র অভিযোগ আনা হয়। পরে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট রায় বহাল রাখার পর তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow