ইরানে মোসাদ এজেন্টের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত এক ইরানি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ইরানের সুপ্রিম কোর্ট তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার পর এই রায় কার্যকর করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মাহদি ফারিদ, যিনি ‘জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থা’র গোয়েন্দা সংস্থাকে সংবেদনশীল জাতীয় তথ্য সরবরাহের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ফারিদ ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সিভিল ডিফেন্স কমিটির ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি সাইবার মাধ্যমে মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং তার উচ্চ পর্যায়ের প্রবেশাধিকার থাকায় দ্রুতই মোসাদের এক কর্মকর্তার অনুমোদন পান। তদন্তে তিনি মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগের ধাপগুলো বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন। আদালতেও তিনি স্বীকার করেন, শুরু থেকেই তিনি জানতেন যাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা কারা। এই যোগাযোগের সময় মোসাদ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের অনুরোধ জানান, যা সরবরাহে ফারিদ সম্মত হন। ফারিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তিনি যে তথ্য সরবরাহের চেষ্টা করেছিলেন

ইরানে মোসাদ এজেন্টের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত এক ইরানি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ইরানের সুপ্রিম কোর্ট তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার পর এই রায় কার্যকর করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মাহদি ফারিদ, যিনি ‘জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থা’র গোয়েন্দা সংস্থাকে সংবেদনশীল জাতীয় তথ্য সরবরাহের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

ফারিদ ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সিভিল ডিফেন্স কমিটির ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি সাইবার মাধ্যমে মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং তার উচ্চ পর্যায়ের প্রবেশাধিকার থাকায় দ্রুতই মোসাদের এক কর্মকর্তার অনুমোদন পান।

তদন্তে তিনি মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগের ধাপগুলো বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন। আদালতেও তিনি স্বীকার করেন, শুরু থেকেই তিনি জানতেন যাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা কারা।

এই যোগাযোগের সময় মোসাদ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের অনুরোধ জানান, যা সরবরাহে ফারিদ সম্মত হন।

ফারিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তিনি যে তথ্য সরবরাহের চেষ্টা করেছিলেন তার মধ্যে ছিল প্রতিষ্ঠানের প্রবেশাধিকার সংক্রান্ত তথ্য, কাঠামোগত চার্ট, অভ্যন্তরীণ ভবনের নকশা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত স্থাপনার বিস্তারিত এবং প্রতিষ্ঠানের অটোমেশন সিস্টেমে সংরক্ষিত কর্মীদের পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য।

তদন্তে আরও জানা যায়, সংস্থার নেটওয়ার্ক ও সার্ভারে অনুপ্রবেশের জন্য তিনি বিশেষ প্রশিক্ষণও গ্রহণ করেন। প্রযুক্তিগত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, মোসাদের নির্দেশনায় তিনি দুই দফা চেষ্টা চালান—প্রথমে একটি হার্ডড্রাইভ ব্যবহার করে তথ্য বের করার চেষ্টা এবং দ্বিতীয়বার একটি ফ্ল্যাশ ড্রাইভের মাধ্যমে ট্রোজান ম্যালওয়্যার ইনস্টল করে সার্ভারে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন।

এছাড়া, এই কার্যক্রমের বিনিময়ে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণ করেছিলেন বলেও জানা গেছে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow