ইরানে হামলা চালানোর হুমকি সৌদি আরবের

ইরানে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে সৌদি আরব। রিয়াদে আঞ্চলিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এ হুমকি দেন। খবর রয়টার্সের।  পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, ‘ইরান হামলার মাধ্যমে তার প্রতিবেশীদের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’ তার ভাষ্য হচ্ছে, ইরানের পক্ষ থেকে বারবার চালানো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেয়নি সৌদি আরব।  দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) আরও বলেন, ‘সৌদি আরব এ ধরনের চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না; বরং উল্টো এ চাপ তাদের (ইরান) ওপরই ফিরে আসবে। আমরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, প্রয়োজন মনে করলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার আমাদের রয়েছে।’ এদিকে কাতারের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এবং বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে এই হামলা চালানো হয়েছে। কাতার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলার ফলে গ্যাসক্ষেত্রটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ মার্চ) কাতা

ইরানে হামলা চালানোর হুমকি সৌদি আরবের
ইরানে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে সৌদি আরব। রিয়াদে আঞ্চলিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এ হুমকি দেন। খবর রয়টার্সের।  পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বলেন, ‘ইরান হামলার মাধ্যমে তার প্রতিবেশীদের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’ তার ভাষ্য হচ্ছে, ইরানের পক্ষ থেকে বারবার চালানো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেয়নি সৌদি আরব।  দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) আরও বলেন, ‘সৌদি আরব এ ধরনের চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না; বরং উল্টো এ চাপ তাদের (ইরান) ওপরই ফিরে আসবে। আমরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, প্রয়োজন মনে করলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার আমাদের রয়েছে।’ এদিকে কাতারের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এবং বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে এই হামলা চালানো হয়েছে। কাতার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলার ফলে গ্যাসক্ষেত্রটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ মার্চ) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। তবে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে যখন বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোরে কাতারএনার্জি আরেকটি বিবৃতি প্রদান করে। সেখানে জানানো হয়, রাস লাফান ছাড়াও আরও বেশ কিছু এলএনজি স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে সেখানে বিশাল অগ্নিকাণ্ড ও আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগুন প্রাথমিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবুও পুরো অঞ্চলে এক থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow