ইরানের ওপর হামলায় বিশ্বশান্তি হুমকির মুখে : গণতন্ত্রী পার্টি
বিনা উসকানিতে সার্বভৌম রাষ্ট্র ইরানের ওপর আকাশ ও নৌপথে নির্বিচারে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গণতন্ত্রী পার্টি। দলটির নেতারা বলেছেন, এ ধরনের আগ্রাসন শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়। বরং সারা বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশ আলি, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ্ সিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও তার দোসর ইসরায়েল বিনা উস্কানিতে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি, তার কন্যা, জামাতা, নাতিসহ বহু নারী-শিশু ও নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে এবং অসংখ্য মানুষকে আহত করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি সার্বভৌম দেশের নেতৃত্ব ও জনগণের ওপর এ ধরনের আগ্রাসন মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তি বিনষ্টের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক বিশ্বের চালিকাশক্তি পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের সরবরাহে সংকট সৃষ্টির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। নেতারা যে কোনো বিরোধ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে মীমাংসার আহ্বান জানান
বিনা উসকানিতে সার্বভৌম রাষ্ট্র ইরানের ওপর আকাশ ও নৌপথে নির্বিচারে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গণতন্ত্রী পার্টি।
দলটির নেতারা বলেছেন, এ ধরনের আগ্রাসন শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়। বরং সারা বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।
গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশ আলি, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ্ সিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও তার দোসর ইসরায়েল বিনা উস্কানিতে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি, তার কন্যা, জামাতা, নাতিসহ বহু নারী-শিশু ও নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে এবং অসংখ্য মানুষকে আহত করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি সার্বভৌম দেশের নেতৃত্ব ও জনগণের ওপর এ ধরনের আগ্রাসন মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তি বিনষ্টের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক বিশ্বের চালিকাশক্তি পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের সরবরাহে সংকট সৃষ্টির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
নেতারা যে কোনো বিরোধ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে মীমাংসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা জাতিসংঘকে ‘ঠুঁটো জগন্নাথের’ ভূমিকা পরিহার করে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর ও বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।
এ ছাড়া ইরানের বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত রাশিয়া ও চীনসহ অন্যান্য মিত্র রাষ্ট্রকে ইরানের এই দুঃসময়ে যথাযথ ভূমিকা পালনের জন্যও জোর আহ্বান জানানো হয়।
What's Your Reaction?