ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু আলোচনার অংশ ছিল না: শাহবাজ শরীফ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কখনোই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার অংশ ছিল না এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত দুই দেশের সমঝোতা স্মারকেও (MoU) এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ইসলামাবাদে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বে সফররত ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক এবং পরবর্তী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু কখনোই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনায় উত্থাপিত হয়নি। এটি আলোচনার টেবিলে ছিল না এবং কোনোভাবেই সমঝোতা স্মারকের অংশ ছিল না। এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন নেই এবং কোনো সন্দেহও নেই। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তেহরান ও ইসলামাবাদের সম্পর্কের গভীরতার কথা তুলে ধরে বলেন, পাকিস্তান ইরানের জন্য কেবল একটি প্রতিবেশী দেশ নয় বরং তার চেয়েও বেশি কিছু। তিনি বলেন, ইরান-পাকিস্তান সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সদিচ্ছা এবং ঐতিহাসিক আস্থার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলি আবারও সেই সম্পর্কের দৃঢ়তা প্রমাণ করেছে। পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক উত্তেজনা
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কখনোই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার অংশ ছিল না এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত দুই দেশের সমঝোতা স্মারকেও (MoU) এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) ইসলামাবাদে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বে সফররত ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক এবং পরবর্তী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু কখনোই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনায় উত্থাপিত হয়নি। এটি আলোচনার টেবিলে ছিল না এবং কোনোভাবেই সমঝোতা স্মারকের অংশ ছিল না। এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন নেই এবং কোনো সন্দেহও নেই।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তেহরান ও ইসলামাবাদের সম্পর্কের গভীরতার কথা তুলে ধরে বলেন, পাকিস্তান ইরানের জন্য কেবল একটি প্রতিবেশী দেশ নয় বরং তার চেয়েও বেশি কিছু।
তিনি বলেন, ইরান-পাকিস্তান সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সদিচ্ছা এবং ঐতিহাসিক আস্থার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলি আবারও সেই সম্পর্কের দৃঢ়তা প্রমাণ করেছে।
পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো, সংলাপকে এগিয়ে নেওয়া এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তার মতে, আঞ্চলিক বিষয়ে ইসলামাবাদের দৃষ্টিভঙ্গি দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী।
ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনার জন্য উন্মুক্ত ছিল না এবং ভবিষ্যতের কোনো আলোচনাতেও তা থাকবে না। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা প্রতিরোধমূলক শক্তি হিসেবে কাজ করে এবং দেশের প্রতিরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পেজেশকিয়ান বলেন, যদি আত্মরক্ষার জন্য আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র না থাকত, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইসরায়েল ইরানকে ঠিক সেইভাবে ধ্বংস করে দিত যেভাবে গাজা ধ্বংস হয়েছে; সেখানে শিশু-বৃদ্ধ কারও প্রতিই দয়া দেখানো হয়নি।
বক্তব্যের শেষদিকে তিনি মানবাধিকার ইস্যুতে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত মানদণ্ডেরও সমালোচনা করেন।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি
কেএম
What's Your Reaction?