ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোতে শক্তিশালী ৫ হাজার পাউন্ড ওজনের বাংকার বাস্টার বোমা ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, এই হামলায় শক্তভাবে সুরক্ষিত (হার্ডেনড) ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক গভীর অনুপ্রবেশকারী বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। মার্কিন পক্ষের দাবি, এসব স্থাপনায় থাকা অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছিল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ব্যাহত হয় এবং জ্বালানির দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও ন্যাটোসহ যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্র দেশ এই সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে সরাসরি সামরিক সহায়তা দিতে রাজি হয়নি। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবেই এই সামরিক অভিযান পরিচাল

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোতে শক্তিশালী ৫ হাজার পাউন্ড ওজনের বাংকার বাস্টার বোমা ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে।

সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, এই হামলায় শক্তভাবে সুরক্ষিত (হার্ডেনড) ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক গভীর অনুপ্রবেশকারী বোমা ব্যবহার করা হয়েছে।

মার্কিন পক্ষের দাবি, এসব স্থাপনায় থাকা অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছিল।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ব্যাহত হয় এবং জ্বালানির দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও ন্যাটোসহ যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্র দেশ এই সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে সরাসরি সামরিক সহায়তা দিতে রাজি হয়নি।

এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow