ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের আবেগঘন পোস্ট

বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে। শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে ইতোমধ্যে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান সরকার। এ বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগেই আবেগময়ী পোস্ট শেয়ার করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফ।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিতে ইরানের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহততের স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে।  জিও নিউজ জানিয়েছে, ফ্লাইটের ভেতর থেকে প্রকাশিত ছবিতে আসনের ওপর রাখা হয়েছে নিহত শিশুদের ছবি এবং রক্তমাখা কিছু ব্যক্তিগত জিনিসপত্র দেখা গেছে। এ ছবি ২০২৬ সালের ভয়াবহ মিনা স্কুলে হামলার স্মৃতি বহন করছে। চলতি বছরের শুরুতে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় অন্তত ১৭৫ জন নিহত হন। নিহতদের বেশিরভাগই শিশু। এটি চলমান সংঘাতের অন্যতম ভয়াবহ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘ধারাবাহিক বা ক্যাসকেডিং প্রভাব’ ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। শুক্র

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের আবেগঘন পোস্ট

বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে। শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে ইতোমধ্যে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পাকিস্তান সরকার। এ বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগেই আবেগময়ী পোস্ট শেয়ার করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফ। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিতে ইরানের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহততের স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে। 

জিও নিউজ জানিয়েছে, ফ্লাইটের ভেতর থেকে প্রকাশিত ছবিতে আসনের ওপর রাখা হয়েছে নিহত শিশুদের ছবি এবং রক্তমাখা কিছু ব্যক্তিগত জিনিসপত্র দেখা গেছে। এ ছবি ২০২৬ সালের ভয়াবহ মিনা স্কুলে হামলার স্মৃতি বহন করছে।

চলতি বছরের শুরুতে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় অন্তত ১৭৫ জন নিহত হন। নিহতদের বেশিরভাগই শিশু। এটি চলমান সংঘাতের অন্যতম ভয়াবহ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘ধারাবাহিক বা ক্যাসকেডিং প্রভাব’ ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অজয় বাঙ্গা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর যদি যুদ্ধবিরতি ব্যর্থ হয় এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে ক্ষতির মাত্রা আরও অনেক বেশি হবে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ধরে নেওয়া হলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ০ দশমিক ৩ থেকে ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে যেতে পারে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এই ক্ষতি বেড়ে ১ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া মূল্যস্ফীতিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এটি ২০০ থেকে ৩০০ বেসিস পয়েন্ট বাড়তে পারে, আর খারাপ পরিস্থিতিতে তা প্রায় ০ দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

 

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow