ইরানের প্রতি হামলা বন্ধের আহ্বান আরব-ইসলামি দেশগুলোর

ইরানের সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়। যা প্রকাশ করেছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক এক্স পোস্টে। বুধবার (১৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত বৈঠকে কাতার, আজারবাইজান, বাহরাইন, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বিভিন্ন দেশে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক এলাকা, তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর, পানি শোধনাগার, আবাসিক ভবন ও কূটনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মন্ত্রীরা বলেন, জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রগুলোর আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তারা ইরানকে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক আইন মেনে চলার তাগিদ দেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতিবেশী দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে ইরানকে। ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নির্ভর করবে এসব শর্ত মানার

ইরানের প্রতি হামলা বন্ধের আহ্বান আরব-ইসলামি দেশগুলোর

ইরানের সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়। যা প্রকাশ করেছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক এক্স পোস্টে।

বুধবার (১৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত বৈঠকে কাতার, আজারবাইজান, বাহরাইন, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বিভিন্ন দেশে হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক এলাকা, তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর, পানি শোধনাগার, আবাসিক ভবন ও কূটনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মন্ত্রীরা বলেন, জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রগুলোর আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তারা ইরানকে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক আইন মেনে চলার তাগিদ দেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতিবেশী দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে ইরানকে। ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নির্ভর করবে এসব শর্ত মানার ওপর। এছাড়া সামরিক শক্তি ব্যবহার করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করার আহ্বান জানানো হয়।

মন্ত্রীরা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ২৮১৭ বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। এ প্রস্তাবে সব ধরনের হামলা বন্ধ এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী ও বাব আল-মান্দাবে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত না করার আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসনের নিন্দা জানানো হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানান, ভবিষ্যতেও তারা সমন্বয় বজায় রাখবেন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

সূত্র: সিএনএন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow