ইরানের শান্তি আলোচনার আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার পথ এখনো খোলা রয়েছে। তবে তেহরান এ বিষয়ে কতটা আন্তরিক, তা নিয়ে ওয়াশিংটনের সন্দেহ রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, নিজেদের ও মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। খবর শাফাক নিউজের। আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রুবিও বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে দেওয়া যাবে না। তার মতে, এমনটি হলে বিশ্বের জন্য একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হবে, বিশেষ করে দক্ষিণ চীন সাগরে সামুদ্রিক বিরোধে জড়িত দেশগুলোর জন্য। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে টানা ১১তম রাতের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে। তাদের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা আরও দুর্বল করা। সেন্টকমের দাবি, গত তিন মাসে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ৩০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে। এতে শত শত নাবিক ঝুঁকির মুখে পড়েছেন এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেন্টকম জানি

ইরানের শান্তি আলোচনার আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার পথ এখনো খোলা রয়েছে। তবে তেহরান এ বিষয়ে কতটা আন্তরিক, তা নিয়ে ওয়াশিংটনের সন্দেহ রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, নিজেদের ও মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। খবর শাফাক নিউজের।

আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রুবিও বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে দেওয়া যাবে না। তার মতে, এমনটি হলে বিশ্বের জন্য একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি হবে, বিশেষ করে দক্ষিণ চীন সাগরে সামুদ্রিক বিরোধে জড়িত দেশগুলোর জন্য।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে টানা ১১তম রাতের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে। তাদের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা আরও দুর্বল করা।

সেন্টকমের দাবি, গত তিন মাসে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ৩০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে। এতে শত শত নাবিক ঝুঁকির মুখে পড়েছেন এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

তবে সেন্টকম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি এখনো বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। মে মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০০টি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদে চলাচলে সহায়তা করেছে মার্কিন বাহিনী। এসব জাহাজে প্রায় ৪৫ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহন করা হয়েছে।

অন্যদিকে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ক্লেপারের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে গেছে। মঙ্গলবার এ পথ দিয়ে মাত্র তিনটি জাহাজ চলাচল করেছে, আগের দিন যা ছিল চারটি।

এ ছাড়া লোহিত সাগরে এশিয়ার উদ্দেশে সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেল বহনকারী দুটি ট্যাংকার বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে পৌঁছে পথ পরিবর্তন করেছে। ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হুমকির পর তারা বিকল্প রুটে যাত্রা শুরু করে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow