হামের উপসর্গে প্রাণ গেলো আরও ৪ শিশুর
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৯৩৮ শিশু। রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন দেশে বাড়ছে অতি প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ এবং এ-সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৩ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮৮টি শিশু মারা গেছে। আরও পড়ুন বন্যা পরিস্থিতি / সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসায় মাঠপর্যায়ে ২১ হাজার অ্যান্টিভেনম এছাড়া, হত ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৩৮। এসময়ে নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি। আর হামের উপসর্গে যে চার শিশু মারা গেছে, তাদের তিনটি ঢাকা বিভাগের। অপর শিশু সিলেট বিভাগের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৯৩৮ শিশু।
রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৩ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৮৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, হত ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৩৮। এসময়ে নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি। আর হামের উপসর্গে যে চার শিশু মারা গেছে, তাদের তিনটি ঢাকা বিভাগের। অপর শিশু সিলেট বিভাগের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক লাখ ১৭ হাজার ৬৪৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৪৩১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট এক লাখ ১৩৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৬ হাজার ৫২১ জন ছাড়পত্র পেয়ে এরই মধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
কেএসআর/
What's Your Reaction?

