ইরানের সমর্থনে ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি বন্ধের হুমকি হুথি বিদ্রোহীদের

ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মৃত্যুর দরজা খ্যাত ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুথি (আনসার আল্লাহ মুভমেন্ট) বিদ্রোহীরা। ইরানে চলমান ইসরায়েল-মার্কিন অভিযানে সমর্থন দেওয়া হলে এই প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হবে। শনিবার (১৫ মার্চ) হুথি সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা আবেদ আল-থাওর এই তথ্য জানিয়েছেন। প্রেস টিভির প্রতিবেদনের তথ্য মতে, আবেদ আল-থাওর জানিয়েছেন, যদি ইরানে স্থল সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তবে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে এই প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়োনিস্ট শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এই নৌ-পথে চলাচল করা যুক্তরাষ্ট্রের ও ইসরায়েলের বাণিজ্যিক জাহাজ এবং যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী নৌযানসহ অন্যান্য যান এ অবরোধের আওতায় আসবে। তিনি আরও জানান, হুথিরা ইসরায়েলের বন্দরের দিকে যাওয়া সকল জাহাজের জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করার বিষয়েও পরিকল্পনা করছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়। তেহরানসহ বড় ইরানি শহরগুলো এই যৌথ হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। মার্কিন হোয়াইট হাউস এই অভিযানের কারণ হ

ইরানের সমর্থনে ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি বন্ধের হুমকি হুথি বিদ্রোহীদের

ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মৃত্যুর দরজা খ্যাত ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুথি (আনসার আল্লাহ মুভমেন্ট) বিদ্রোহীরা। ইরানে চলমান ইসরায়েল-মার্কিন অভিযানে সমর্থন দেওয়া হলে এই প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

শনিবার (১৫ মার্চ) হুথি সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা আবেদ আল-থাওর এই তথ্য জানিয়েছেন।

প্রেস টিভির প্রতিবেদনের তথ্য মতে, আবেদ আল-থাওর জানিয়েছেন, যদি ইরানে স্থল সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তবে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে এই প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়োনিস্ট শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

এই নৌ-পথে চলাচল করা যুক্তরাষ্ট্রের ও ইসরায়েলের বাণিজ্যিক জাহাজ এবং যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী নৌযানসহ অন্যান্য যান এ অবরোধের আওতায় আসবে।

তিনি আরও জানান, হুথিরা ইসরায়েলের বন্দরের দিকে যাওয়া সকল জাহাজের জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করার বিষয়েও পরিকল্পনা করছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়। তেহরানসহ বড় ইরানি শহরগুলো এই যৌথ হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। মার্কিন হোয়াইট হাউস এই অভিযানের কারণ হিসেবে ইরানের সন্দেহভাজন ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকি উল্লেখ করেছে।

জবাবে ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরস (আইআরজিসি) এ সময় বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও মুহুর্মুহু হামলা চালায় ইরান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের শাজারাহ তায়্যিবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬৮ জন স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ওই দিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে।

জানা গেছে, ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক এ আগ্রাসনে দেশটিতে আরও ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

সূত্র: তাস

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow