ইরানের সহযোগীদের অর্থের উৎস বন্ধ করে দেওয়া হবে: মার্কিন অর্থমন্ত্রী
ইরানের সহযোগীদের অর্থের উৎস বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘ইকোনমিক ফিউরি’ কর্মসূচির আওতায় ইরানের হঠকারিতা ও তাদের সহযোগীদের অর্থের উৎস ক্রমেই বন্ধ করে দেওয়া হবে। স্কট বেসেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য ইরানি প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। এদিকে, যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠকের ঠিক আগ মুহূর্তে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে মোট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ বিভাগ এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। বলা হচ্ছে, যুদ্ধ বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) পাকিস্তানে
ইরানের সহযোগীদের অর্থের উৎস বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘ইকোনমিক ফিউরি’ কর্মসূচির আওতায় ইরানের হঠকারিতা ও তাদের সহযোগীদের অর্থের উৎস ক্রমেই বন্ধ করে দেওয়া হবে।
স্কট বেসেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য ইরানি প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।
এদিকে, যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠকের ঠিক আগ মুহূর্তে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে মোট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ বিভাগ এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। বলা হচ্ছে, যুদ্ধ বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
অন্যদিকে বুধবার (২২ এপ্রিল) পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফার ওই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধের কারণে তেহরান এ পর্যন্ত এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালেদেওয়া এক পোস্টে জানান, বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে রাজি আছেন তিনি। দুই সপ্তাহের জন্য করা এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজই শেষ হওয়ার কথা ছিল।
ট্রাম্প আগে এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর কথা বললেও মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তার অবস্থানে পরিবর্তন আনেন। তিনি বলেন, ইরানের প্রতিনিধিরা একটি ‘সমন্বিত প্রস্তাব’ নিয়ে না আসা পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ থাকবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এসএএইচ
What's Your Reaction?