ইরানের সহায়তায় ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ পাড়ি দিল ২৬ জাহাজ
গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে ২৬টি জাহাজ চলাচলের সমন্বয় করেছে ইরান। দেশটি প্রণালি পারাপারে নতুন নিয়ম কার্যকরের পর এ তথ্য সামনে এসেছে।
বুধবার (২০ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল তাদের নৌবাহিনীর অনুমতি ও সমন্বয়ের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে। ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ বুধবার এ সংক্রান্ত বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
পরে বুধবার ইরানের পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হরমুজ প্রণালির একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে। সেখানে একটি ‘নিয়ন্ত্রিত সামুদ্রিক অঞ্চল’ চিহ্নিত করা হয়েছে। এ অঞ্চলে তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না বলে জানানো হয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, এই নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটি ইরানের কুহ-ই মুবারক থেকে শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ শহরের দক্ষিণাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। আর পশ্চিম প্রবেশমুখে অঞ্চলটি কেশম দ্বীপের প্রান্ত থেকে উম্ম আল-কুয়েইন পর্যন্ত বিস্তৃত।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি রপ্ত
গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে ২৬টি জাহাজ চলাচলের সমন্বয় করেছে ইরান। দেশটি প্রণালি পারাপারে নতুন নিয়ম কার্যকরের পর এ তথ্য সামনে এসেছে।
বুধবার (২০ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল তাদের নৌবাহিনীর অনুমতি ও সমন্বয়ের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে। ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ বুধবার এ সংক্রান্ত বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
পরে বুধবার ইরানের পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হরমুজ প্রণালির একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে। সেখানে একটি ‘নিয়ন্ত্রিত সামুদ্রিক অঞ্চল’ চিহ্নিত করা হয়েছে। এ অঞ্চলে তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না বলে জানানো হয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, এই নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটি ইরানের কুহ-ই মুবারক থেকে শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ শহরের দক্ষিণাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। আর পশ্চিম প্রবেশমুখে অঞ্চলটি কেশম দ্বীপের প্রান্ত থেকে উম্ম আল-কুয়েইন পর্যন্ত বিস্তৃত।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি রপ্তানির প্রায় পাঁচভাগের একভাগ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান এই জলপথ অবরোধ করে। এর জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করে। এতে দেশটির প্রধান আয়ের উৎস তেল রপ্তানি কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।
বুধবার জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা জানিয়েছে, এই অবরোধ আগামী ছয় থেকে ১২ মাসের মধ্যে বৈশ্বিক খাদ্যমূল্যে গুরুতর সংকট তৈরি করতে পারে। সংস্থাটি একে কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার ওপর পদ্ধতিগত ধাক্কার সূচনা বলে উল্লেখ করেছে। রোমভিত্তিক সংস্থাটি জানিয়েছে, এটি আর শুধু জাহাজ চলাচল বা জ্বালানি বাজারের সমস্যা নয়; এই ধাক্কা ধাপে ধাপে বৈশ্বিক কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থায় ছড়িয়ে পড়ছে।