ইরানের হামলায় অকার্যকর হয়ে গেছে মার্কিন ঘাঁটি
ইরান যুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা অন্তত এক ডজন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এ ক্ষতি হয়। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তেহরান টানা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ঘাঁটির বর্তমান অবস্থা এতটাই নাজুক যে, এগুলো এখন উপকারের চেয়ে মার্কিন বাহিনীর জন্য উল্টো ঝুঁকি তৈরি করছে। ওয়াশিংটনের ‘আরব সেন্টার’-এর বার্ষিক সম্মেলনে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মার্ক লিঞ্চ বলেন, ‘গত এক মাস ধরে ইরান মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের অবকাঠামোগুলো অকেজো করে দিয়েছে। অথচ এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার সঠিক চিত্র সামনে আসছে না।’
গত মাসে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে প্রথম জানানো হয়েছিল, ইরানের হামলার পর ঘাঁটিগুলো এখন প্রায় ‘বসবাসের অনুপযোগী’ হয়ে পড়েছে। এসব কবে পুনর্গঠন করা হবে তাও অনিশ্চিত।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের সংখ্যা নির্ধারণ করে দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় প্রতিদিন ১৫টি জাহাজ প্রণালি পাড়ি দিতে পারবে। ইসল
ইরান যুদ্ধে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা অন্তত এক ডজন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এ ক্ষতি হয়। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তেহরান টানা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ঘাঁটির বর্তমান অবস্থা এতটাই নাজুক যে, এগুলো এখন উপকারের চেয়ে মার্কিন বাহিনীর জন্য উল্টো ঝুঁকি তৈরি করছে। ওয়াশিংটনের ‘আরব সেন্টার’-এর বার্ষিক সম্মেলনে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মার্ক লিঞ্চ বলেন, ‘গত এক মাস ধরে ইরান মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের অবকাঠামোগুলো অকেজো করে দিয়েছে। অথচ এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার সঠিক চিত্র সামনে আসছে না।’
গত মাসে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে প্রথম জানানো হয়েছিল, ইরানের হামলার পর ঘাঁটিগুলো এখন প্রায় ‘বসবাসের অনুপযোগী’ হয়ে পড়েছে। এসব কবে পুনর্গঠন করা হবে তাও অনিশ্চিত।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের সংখ্যা নির্ধারণ করে দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় প্রতিদিন ১৫টি জাহাজ প্রণালি পাড়ি দিতে পারবে। ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়া ইরানের একটি কূটনৈতিক সূত্র এ দাবি করেছে।
বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম তাসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণভাবে ইরানের অনুমোদন ও নির্দিষ্ট প্রটোকলের ওপর নির্ভরশীল। এই নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামো ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। যুদ্ধ-পূর্ব স্বাভাবিক অবস্থায় আর ফেরা হবে না।