ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনে শুল্ককর রেয়াতি ২০৩০ সাল পর্যন্ত
কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনে শুল্ককর রেয়াতি সুবিধা দীর্ঘমেয়াদে বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে আসন্ন ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছেন তিনি। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভর প্রযুক্তি পণ্য, যেমন-মোবাইল ফোন, রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), ওয়াশিং মেশিন, এটিএম (ATM) ও সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা স্থানীয়ভাবে উৎপাদনপূর্বক সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং এখাতে রপ্তানি উৎসাহিতকরণ করা দরকার। এ লক্ষ্যে এ সব পণ্য উৎপাদনের কাঁচামাল ও উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ও কর অব্যাহতি সুবিধা আগামী ৩০ জুন ২০৩০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করার প্রস্তাব করছি। এদিকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বাজেটে সুখবর রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের প্রদত্ত সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠা
কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনে শুল্ককর রেয়াতি সুবিধা দীর্ঘমেয়াদে বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে আসন্ন ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছেন তিনি।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভর প্রযুক্তি পণ্য, যেমন-মোবাইল ফোন, রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), ওয়াশিং মেশিন, এটিএম (ATM) ও সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা স্থানীয়ভাবে উৎপাদনপূর্বক সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং এখাতে রপ্তানি উৎসাহিতকরণ করা দরকার।
এ লক্ষ্যে এ সব পণ্য উৎপাদনের কাঁচামাল ও উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ও কর অব্যাহতি সুবিধা আগামী ৩০ জুন ২০৩০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করার প্রস্তাব করছি।
এদিকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বাজেটে সুখবর রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের প্রদত্ত সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করছি।
তিনি আরও বলেন, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সেবা আমদানির ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের স্থান ও স্থাপনা ভাড়া গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করছি। অব্যাহতির মেয়াদ ৩০ জুন, ২০৩৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে।
এর ফলে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধপথে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে উৎসাহিত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এনএইচ/এমএমএআর
What's Your Reaction?