ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দুজন রাজসাক্ষী পাওয়া গেছে : জামায়াত আমির

সরকারি দল স্ববিরোধী অবস্থান নিয়ে জাতির মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি করেছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘এই পার্লামেন্ট নিয়ে অনেক কথা আছে। এই নির্বাচন নিয়ে অনেক কথা আছে। নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য অন্তত দুজন রাজসাক্ষী পাওয়া গেছে- একজন উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য এবং একজন বর্তমান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।’ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সংসদ ভবন থেকে ওয়াকআউটের পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘উনি বলেছেন যে, আন্দোলন করেছে ছাত্ররা- আমরাও ছিলাম। তবে ক্যাপ্টেনের হাতে প্রফেসর ইউনূস লন্ডনে গিয়ে ট্রফি তুলে দিয়ে এসেছেন।’ ট্রফি যদি ওখানেই দিয়ে থাকেন, তবে কিসের নির্বাচন? তাহলে তো নির্বাচনের ভাগ্য যোগাযোগ করে- পর্দার আড়ালে ঠিক করে জাতিকে ব্ল্যাকমেইলিং করা হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দেশবাসীকে কথা দিচ্ছি, জনগণের অধিকারের পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে আমরা চুল পরিমাণ কোনো ছাড় দেবো না। আমাদের অবস্থান অক্ষুণ্ণ থাকবে। আমাদের এই লড়াই জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াই। তিনি বলেন, জনগণের গণরায়- গণভোটের রায় বা

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দুজন রাজসাক্ষী পাওয়া গেছে : জামায়াত আমির
সরকারি দল স্ববিরোধী অবস্থান নিয়ে জাতির মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি করেছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘এই পার্লামেন্ট নিয়ে অনেক কথা আছে। এই নির্বাচন নিয়ে অনেক কথা আছে। নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য অন্তত দুজন রাজসাক্ষী পাওয়া গেছে- একজন উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য এবং একজন বর্তমান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।’ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সংসদ ভবন থেকে ওয়াকআউটের পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘উনি বলেছেন যে, আন্দোলন করেছে ছাত্ররা- আমরাও ছিলাম। তবে ক্যাপ্টেনের হাতে প্রফেসর ইউনূস লন্ডনে গিয়ে ট্রফি তুলে দিয়ে এসেছেন।’ ট্রফি যদি ওখানেই দিয়ে থাকেন, তবে কিসের নির্বাচন? তাহলে তো নির্বাচনের ভাগ্য যোগাযোগ করে- পর্দার আড়ালে ঠিক করে জাতিকে ব্ল্যাকমেইলিং করা হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দেশবাসীকে কথা দিচ্ছি, জনগণের অধিকারের পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে আমরা চুল পরিমাণ কোনো ছাড় দেবো না। আমাদের অবস্থান অক্ষুণ্ণ থাকবে। আমাদের এই লড়াই জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াই। তিনি বলেন, জনগণের গণরায়- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলেই আমরা মনে করি সব সমাধানের রাস্তা খুলে যাবে। সংসদে আমরা এর সুবিচার পাইনি, ইনশাআল্লাহ জনগণের কাছে সুবিচার পাবো। আমরা জনগণকে নিয়েই সেই দাবি আদায় করে ছাড়ব। গণভোটের গণরায়- ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে অগ্রাহ্য করার মানে হচ্ছে গণতন্ত্রকে, জনগণকে অপমান করা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow