ইসরায়েলের ‘এজেন্ট’ অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ফাঁসি দিল ইরান
ইসরায়েলের হয়ে কাজ করার অভিযোগে ইরানে ইরফান কায়ানি নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারিতে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ইসরায়েলের একজন ‘এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করছিলেন। ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রথমে ‘সন্ত্রাস সৃষ্টি’র অভিযোগ আনা হয়। পরে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট রায় বহাল রাখার পর তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, দেশটির ইসফাহান প্রদেশে অস্থিরতার সময় তিনি ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে পরিচালিত একটি অভিযানের প্রধান সদস্যদের একজন ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস, অগ্নিসংযোগ, ককটেল ব্যবহার, ধারালো অস্ত্র বহন, যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবারও নিষিদ্ধ বিরোধী সংগঠনের এক সদস্যকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। ইরান জানিয়েছে, গত ২৮
ইসরায়েলের হয়ে কাজ করার অভিযোগে ইরানে ইরফান কায়ানি নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারিতে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের সময় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ইসরায়েলের একজন ‘এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করছিলেন।
ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রথমে ‘সন্ত্রাস সৃষ্টি’র অভিযোগ আনা হয়। পরে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট রায় বহাল রাখার পর তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, দেশটির ইসফাহান প্রদেশে অস্থিরতার সময় তিনি ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে পরিচালিত একটি অভিযানের প্রধান সদস্যদের একজন ছিলেন।
তার বিরুদ্ধে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস, অগ্নিসংযোগ, ককটেল ব্যবহার, ধারালো অস্ত্র বহন, যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবারও নিষিদ্ধ বিরোধী সংগঠনের এক সদস্যকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। ইরান জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার হার বেড়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে চীনের পরই ইরানের অবস্থান।
What's Your Reaction?