ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে আয়ারল্যান্ড
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্যে আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই একটি আইন পাস করতে চায় আয়ারল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু আইনপ্রণেতা এবং ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর বিরোধিতা সত্ত্বেও দেশটির সরকার এ উদ্যোগ এগিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেলেন ম্যাকএনটি। মঙ্গলবার (২৬ মে ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ম্যাকএনটি বলেন, আমরা সবসময় শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। কিন্তু ইসরায়েলি সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধি এবং লেবাননে অব্যাহত হামলা স্পষ্ট করে যে তারা সেই পথে হাঁটতে আগ্রহী নয়। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের অন্যতম কড়া সমালোচক আয়ারল্যান্ড সরকার ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে এরপর থেকে বিভিন্ন মহলের চাপের কারণে আইনটি পাসের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়। একদিকে বিরোধী রাজনীতিকরা পণ্যের পাশাপাশি সেবাখাতের বাণিজ্যও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার দাবি জানান। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা পুরো বিলটি বা
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্যে আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই একটি আইন পাস করতে চায় আয়ারল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু আইনপ্রণেতা এবং ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর বিরোধিতা সত্ত্বেও দেশটির সরকার এ উদ্যোগ এগিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেলেন ম্যাকএনটি।
মঙ্গলবার (২৬ মে ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ম্যাকএনটি বলেন, আমরা সবসময় শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি। কিন্তু ইসরায়েলি সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধি এবং লেবাননে অব্যাহত হামলা স্পষ্ট করে যে তারা সেই পথে হাঁটতে আগ্রহী নয়।
গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের অন্যতম কড়া সমালোচক আয়ারল্যান্ড সরকার ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিশ্রুতি দেয়।
তবে এরপর থেকে বিভিন্ন মহলের চাপের কারণে আইনটি পাসের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়।
একদিকে বিরোধী রাজনীতিকরা পণ্যের পাশাপাশি সেবাখাতের বাণিজ্যও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার দাবি জানান। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা পুরো বিলটি বাতিলের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন।
আয়ারল্যান্ড সরকার আপাতত শুধু পণ্যের বাণিজ্য সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর ফলে অধিকৃত পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে আমদানি হওয়া অল্প কিছু পণ্য যেমন ফলমূল প্রভাবিত হবে।
সরকারি হিসাবে, এসব পণ্যের বার্ষিক আমদানি মূল্য প্রায় ২ লাখ ইউরো (প্রায় ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ ডলার)।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দাবি, যদি সেবাখাতকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়, তাহলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো জটিল ও বাস্তবায়ন-অযোগ্য নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।
তবে সমালোচকদের আপত্তি সত্ত্বেও পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান আরও কঠোর করতে আইনটি দ্রুত পাসের বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে আয়ারল্যান্ড সরকার।
সূত্র : আল জাজিরা
What's Your Reaction?