‘ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক পরাজয়’

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা করেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এই যুদ্ধবিরতিকে ‘ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক বিপর্যয়’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি। ইয়ার লাপিদ লিখেছেন, ‘আমাদের সমগ্র ইতিহাসে এমন কূটনৈতিক বিপর্যয় আর কখনো ঘটেনি। জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয় নিয়ে যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, তখন ইসরায়েল সেই আলোচনার টেবিলেই ছিল না।’ এই বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সেনাবাহিনী তাদের ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব পালন করেছে। জনগণও অসাধারণ দৃঢ়তা প্রদর্শন করেছে। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু কূটনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি নিজে যেসব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তার কোনোটিই অর্জন করতে পারেননি।’ তিনি আরও বলেন, ‘অহংকার, অবহেলা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অভাবের কারণে কূটনৈতিক ও কৌশলগত যে নেতানিয়াহু ক্ষতি করেছেন, তা পুষিয়ে নিতে আমাদের বহু বছর সময় লাগবে।’ প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ইরানে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। যুদ্ধে তাদের মূল লক্ষ্য ছিল, ইরানে সরকার পরিবর্তন ও দেশটির

‘ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক পরাজয়’

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা করেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এই যুদ্ধবিরতিকে ‘ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক বিপর্যয়’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

ইয়ার লাপিদ লিখেছেন, ‘আমাদের সমগ্র ইতিহাসে এমন কূটনৈতিক বিপর্যয় আর কখনো ঘটেনি। জাতীয় নিরাপত্তার মূল বিষয় নিয়ে যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, তখন ইসরায়েল সেই আলোচনার টেবিলেই ছিল না।’

এই বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সেনাবাহিনী তাদের ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব পালন করেছে। জনগণও অসাধারণ দৃঢ়তা প্রদর্শন করেছে। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু কূটনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি নিজে যেসব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তার কোনোটিই অর্জন করতে পারেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অহংকার, অবহেলা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার অভাবের কারণে কূটনৈতিক ও কৌশলগত যে নেতানিয়াহু ক্ষতি করেছেন, তা পুষিয়ে নিতে আমাদের বহু বছর সময় লাগবে।’

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ইরানে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। যুদ্ধে তাদের মূল লক্ষ্য ছিল, ইরানে সরকার পরিবর্তন ও দেশটির কাছে মজুত থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংস করা। কিন্তু ইরানের প্রতিরোধের মুখে দুই লক্ষ্যের কোনোটিই অর্জিত হয়নি।

এদিকে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যে ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, সে আলোচনায় ইসরায়েলের অংশগ্রহণ ছিল না বললেই চলে। তবে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি তাদেরও মেনে নিতে হয়েছে। যদিও যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে তারা লেবাননে নির্বিচারে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow