ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার স্থাপনায় নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসলামী বিপ্লবী গার্ডস কোর (IRGC) দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে IRGC জানায়, “সত্য প্রতিশ্রুতি ৪” অভিযানের অংশ হিসেবে ৭৯তম প্রতিশোধমূলক হামলা সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, খাইবার-শেকান, ইমাদ ও সেজ্জিলসহ শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র এবং আইআরজিসির এয়ারোস্পেস বাহিনীর ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলের বহুস্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করা হয়েছে। এই হামলায় উত্তর ও মধ্য তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার কথিত নিরাপদ স্থাপনা, রামাত গান ও নেগেভ অঞ্চলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বাণিজ্যিক ও সহায়তা কেন্দ্র এবং বিয়ার শেভায় অবস্থিত সামরিক ব্যবস্থাপনা ও লজিস্টিক কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। IRGC আরও জানায়, হামলার পর অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে ধোঁয়া ও আগুনের বড় বড় স্তম্ভ দেখা গেছে এবং দুই মিলিয়নের বেশি মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে হয়েছে—যা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার প্রমাণ। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ও ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আমা

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার স্থাপনায় নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসলামী বিপ্লবী গার্ডস কোর (IRGC) দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে IRGC জানায়, “সত্য প্রতিশ্রুতি ৪” অভিযানের অংশ হিসেবে ৭৯তম প্রতিশোধমূলক হামলা সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, খাইবার-শেকান, ইমাদ ও সেজ্জিলসহ শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র এবং আইআরজিসির এয়ারোস্পেস বাহিনীর ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলের বহুস্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করা হয়েছে।

এই হামলায় উত্তর ও মধ্য তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার কথিত নিরাপদ স্থাপনা, রামাত গান ও নেগেভ অঞ্চলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বাণিজ্যিক ও সহায়তা কেন্দ্র এবং বিয়ার শেভায় অবস্থিত সামরিক ব্যবস্থাপনা ও লজিস্টিক কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

IRGC আরও জানায়, হামলার পর অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে ধোঁয়া ও আগুনের বড় বড় স্তম্ভ দেখা গেছে এবং দুই মিলিয়নের বেশি মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে হয়েছে—যা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার প্রমাণ।

একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ও ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আমান যুদ্ধসংক্রান্ত তথ্য ও হামলার চিত্র গোপন করছে বলেও অভিযোগ করেছে IRGC।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনি এবং কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে।

এর জবাবে ইরান ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে।

সূত্র- তাসনিম নিউজ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow