ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে ইরানে গ্রেফতার ২০
ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ বা দেশটিকে সহযোগিতার সন্দেহে ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অন্তত ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় গণমাধ্যম রোববার (১৫ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে এই গ্রেফতারের ঘটনা ঘটলো। ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশে ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহভাজন বিভিন্ন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় ওই ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়। এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাদেশিক প্রসিকিউটর হোসেইন মাজিদি। তিনি বলেন, ২০ জনকে আটকের পর গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সামরিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থার অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য জায়নবাদী শত্রুর কাছে পাঠাচ্ছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানজুড়ে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে সরকারি কর্তৃপক্ষ। এতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার সন্দেহে শত শত মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চলমান সংঘাত শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আ
ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ বা দেশটিকে সহযোগিতার সন্দেহে ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অন্তত ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় গণমাধ্যম রোববার (১৫ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে এই গ্রেফতারের ঘটনা ঘটলো।
ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশে ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহভাজন বিভিন্ন নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় ওই ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়। এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাদেশিক প্রসিকিউটর হোসেইন মাজিদি।
তিনি বলেন, ২০ জনকে আটকের পর গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সামরিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থার অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য জায়নবাদী শত্রুর কাছে পাঠাচ্ছিল।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানজুড়ে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে সরকারি কর্তৃপক্ষ। এতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার সন্দেহে শত শত মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
চলমান সংঘাত শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন, যার পরই ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া শুরু করে।
রোববার (১৫ মার্চ) ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, লন্ডনভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালে তথ্য পাঠানোর অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কাজভিন প্রদেশের পুলিশ কমান্ডারের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ব্যক্তি তথ্য পাঠানোর জন্য একটি স্টারলিংক টার্মিনাল ব্যবহার করছিলেন। এই প্রযুক্তি ইরানে নিষিদ্ধ।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান কার্যত একটি পূর্ণাঙ্গ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মাধ্যমে বিশ্বের বাকি অংশ থেকে ডিজিটালভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এই বিধিনিষেধ এড়িয়ে চলতে কিছু ইরানি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি স্পেসএক্সের তৈরি স্টারলিংক টার্মিনাল ব্যবহার করছেন, যা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেটে সংযোগ দেয়।
গত জানুয়ারিতে ইরান সরকার ইরান ইন্টারন্যাশনাল চ্যানেলের সঙ্গে যে কোনো ধরনের সহযোগিতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তাদের দাবি, চ্যানেলটি জায়বাদী শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
সূত্র: এএফপি
এসএএইচ
What's Your Reaction?