ইয়াবাকাণ্ডে পদ হারালেন জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য ইমরান হোসেন রুবেলকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা বিএনপি। একই সঙ্গে তাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। রোববার সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন এবং সদস্য (স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত) অ্যাডভোকেট আব্দুল হক স্বাক্ষরিত এক সাংগঠনিক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হোসেন রুবেল ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় দলের ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এ কারণে তাকে জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ৯ জুলাই জামালগঞ্জ বাজার ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ ইমরান হোসেন রুবেল ও ভীমখালী ইউনিয়নের গোলামীপুর গ্রামের আজিজুল হকসহ ১৯৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। পরে
ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য ইমরান হোসেন রুবেলকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা বিএনপি। একই সঙ্গে তাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন এবং সদস্য (স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত) অ্যাডভোকেট আব্দুল হক স্বাক্ষরিত এক সাংগঠনিক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হোসেন রুবেল ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় দলের ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এ কারণে তাকে জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত ৯ জুলাই জামালগঞ্জ বাজার ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামালগঞ্জ থানা পুলিশ ইমরান হোসেন রুবেল ও ভীমখালী ইউনিয়নের গোলামীপুর গ্রামের আজিজুল হকসহ ১৯৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
What's Your Reaction?