ঈদযাত্রায় বৃষ্টি বিড়ম্বনা, বাস টার্মিনালে বাড়ছে চাপ
সকালের আবহাওয়া ভালো থাকলেও দুপুরের বৃষ্টি ঈদযাত্রায় বিড়ম্বনা তৈরি করেছে। দুপুরে যাদের ঢাকা ছাড়ার কথা ছিলো বৃষ্টি তাদের যাত্রার শুরুতেই বিলম্ব ঘটাচ্ছে। বাস টার্মিনালগুলো থেকে নির্দিষ্ট সময়ে বাস ছেড়ে যেতে পারছে না। আবার বাস ভাড়াও নিচ্ছে বেশি। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে এমন চিত্র দেখা গেছে। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এরইমধ্যে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। সকাল থেকে টার্মিনালে যাত্রীর তেমন চাপ না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। প্রয়োজনীয় কাজ সেরে অনেকেই দুপুরের মধ্যে বাসে উঠবেন। সে কারণে টার্মিনালে এখন যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। মিরপুরে দুপুর ১২টার কিছু আগে বৃষ্টি শুরু হয়। ময়মনসিংহে ভাড়া করা গাড়ি দিয়ে গ্রামে ঈদ করতে যাবেন মুজাহিদ। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘সকালে ড্রাইভারের আসার কথা ছিলো। কিন্তু আসতে আসতে ১২টা বাজিয়েছে। এরমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাসা থেকে বের হতে পারছি না।’ এদিকে, মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন। কাউন্টারগুলোর সামনে উপচে পড়া ভিড় থাক
সকালের আবহাওয়া ভালো থাকলেও দুপুরের বৃষ্টি ঈদযাত্রায় বিড়ম্বনা তৈরি করেছে। দুপুরে যাদের ঢাকা ছাড়ার কথা ছিলো বৃষ্টি তাদের যাত্রার শুরুতেই বিলম্ব ঘটাচ্ছে। বাস টার্মিনালগুলো থেকে নির্দিষ্ট সময়ে বাস ছেড়ে যেতে পারছে না। আবার বাস ভাড়াও নিচ্ছে বেশি।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এরইমধ্যে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। সকাল থেকে টার্মিনালে যাত্রীর তেমন চাপ না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। প্রয়োজনীয় কাজ সেরে অনেকেই দুপুরের মধ্যে বাসে উঠবেন। সে কারণে টার্মিনালে এখন যাত্রীদের ভিড় রয়েছে।
মিরপুরে দুপুর ১২টার কিছু আগে বৃষ্টি শুরু হয়। ময়মনসিংহে ভাড়া করা গাড়ি দিয়ে গ্রামে ঈদ করতে যাবেন মুজাহিদ। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘সকালে ড্রাইভারের আসার কথা ছিলো। কিন্তু আসতে আসতে ১২টা বাজিয়েছে। এরমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাসা থেকে বের হতে পারছি না।’
এদিকে, মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন। কাউন্টারগুলোর সামনে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও তুলনামূলকভাবে বাসের সংখ্যা কম। একটি বাস ছাড়ার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে পরবর্তী বাসের জন্য।
টার্মিনালে অপেক্ষমাণ যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ১১টার দিকে এসেছি। এখনো বাস পাইনি। পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাব, কিন্তু কাউন্টারে শুধু বলা হচ্ছে একটু অপেক্ষা করেন।’
আরেক যাত্রী সুমাইয়া আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যে ভাড়া সাধারণ সময়ে ৫০০ টাকা, এখন সেটাই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা চাচ্ছে। ঈদ এলেই ভাড়া বেড়ে যায়, দেখার কেউ নেই।’
ময়মনসিংহগামী যাত্রী শামীম হোসেন বলেন, ‘টিকিট থাকলেও বাস সময়মতো আসছে না। অনেকেই দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু বাস কম। ছোট বাচ্চা নিয়ে খুব ভোগান্তিতে পড়েছি।’
কয়েকটি পরিবহনের কাউন্টারে কথা বলে জানা যায়, ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীর চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। তবে সড়কে যানজট ও গাড়ির সংকটের কারণে নির্ধারিত ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
একটি পরিবহনের কাউন্টার কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় যাত্রী অনেক বেশি। কিছু বাস এখনো রাস্তায় আটকে আছে। তাই চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’
গাড়ির চালক ফুল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, রাস্তায় যানজট রয়েছে৷ গাজীপুর ও টঙ্গীতে জ্যাম তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির পর জ্যাম আরও বেড়েছে।
এদিকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের দাবি, যাত্রীর চাপ বেশি হওয়ায় সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।
ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে টার্মিনাল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেলেও যাত্রীদের অভিযোগ, ভাড়া ও বাস সংকট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারি এখনো যথেষ্ট নয়।
ইএইচটি/এমএমএআর
What's Your Reaction?