ঈদযাত্রায় স্বস্তিতে যাত্রীরা, বাড়তি ভাড়া নিয়ে অসন্তোষ
ঈদকে সামনে রেখে সাভারের বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে বিগত বছরের মতো তীব্র যানজট বা দীর্ঘ ভোগান্তি এবার চোখে পড়েনি। নির্বিঘ্নেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন ঘরমুখো মানুষ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে সরেজমিনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক এবং আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-ডিইপিজেড সড়কে এরকম চিত্র দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, হেমায়েতপুর, উল্লাইল, গেন্ডা, সাভার বাসস্ট্যান্ড, বাইপাইল, ডিইপিজেড, বলিভদ্র, শ্রীপুর, জামগড়া, জিরাবো ও আশুলিয়া এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়নি। তবে বাস কাউন্টারগুলো থেকে যাত্রী ওঠা নামার কারণে সাময়িকভাবে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও সড়কে অটোরিকশা চলাচলের কারণে বরাবরের মতোই কিছুটা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হচ্ছে চালকদের। যাত্রীরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবারের যাত্রা অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। সড়কে পর্যাপ্ত যানবাহন থাকায় অপেক্ষা কমেছে। তবে স্বস্তির মধ্যেও বাড়তি ভাড়া নিয়ে রয়েছে তীব্র অসন্তোষ। পাটুরিয়াগামী যাত্রী হোসেন আলী বলেন, গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু ভাড়া ৩০-৪০ টাকা বেশি নিচ্ছে। শ্যামলী থেকে সাভারগামী যাত্রী আল মামুন
ঈদকে সামনে রেখে সাভারের বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে বিগত বছরের মতো তীব্র যানজট বা দীর্ঘ ভোগান্তি এবার চোখে পড়েনি। নির্বিঘ্নেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন ঘরমুখো মানুষ।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে সরেজমিনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক এবং আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-ডিইপিজেড সড়কে এরকম চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেমায়েতপুর, উল্লাইল, গেন্ডা, সাভার বাসস্ট্যান্ড, বাইপাইল, ডিইপিজেড, বলিভদ্র, শ্রীপুর, জামগড়া, জিরাবো ও আশুলিয়া এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়নি। তবে বাস কাউন্টারগুলো থেকে যাত্রী ওঠা নামার কারণে সাময়িকভাবে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও সড়কে অটোরিকশা চলাচলের কারণে বরাবরের মতোই কিছুটা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হচ্ছে চালকদের।
যাত্রীরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবারের যাত্রা অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। সড়কে পর্যাপ্ত যানবাহন থাকায় অপেক্ষা কমেছে। তবে স্বস্তির মধ্যেও বাড়তি ভাড়া নিয়ে রয়েছে তীব্র অসন্তোষ।
পাটুরিয়াগামী যাত্রী হোসেন আলী বলেন, গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু ভাড়া ৩০-৪০ টাকা বেশি নিচ্ছে।
শ্যামলী থেকে সাভারগামী যাত্রী আল মামুন বলেন, পুরো পথে কোথাও বড় ধরনের যানজটে পড়তে হয়নি, যা সত্যিই স্বস্তিদায়ক।
তবে বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে গোল্ডেন পরিবহনের যাত্রী ফারুক হোসেন বলেন, ৫০০ টাকার ভাড়া ৯০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটা সাধারণ মানুষের জন্য খুবই কষ্টকর।
বরিশালগামী যাত্রী রুবাইয়াত ইসলাম বলেন, প্রতি বছর একই অবস্থা। ভাড়া বাড়ে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ে না।
অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা।
সাভার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শেখ শাজাহান বলেন, সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে, তবে কোথাও যানজট নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, এবারের ঈদযাত্রায় সাভারের সড়কে চাপ থাকলেও যাত্রীদের যাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক,তবে বাড়তি ভাড়া যেন সেই স্বস্তিতে কিছুটা ভাটা ফেলছে।
What's Your Reaction?