ঈদুল আজহায় বিশ্বনেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন সৌদির যুবরাজ
সৌদি বাদশাহ সালমান বিল আব্দুল আজিজ আল সৌদ ও যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন নেতার কাছ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি প্রেস এজেন্সি। বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান শুভেচ্ছা ও দোয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পাল্টা বার্তা পাঠিয়েছেন। সৌদি নেতৃত্ব মুসলিম বিশ্বের অব্যাহত নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন এবং হজ ও ঈদ মৌসুমে সবার ইবাদত কবুলের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন। এ শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় সৌদি আরবে হজ পালনের জন্য ১৭ লাখের বেশি হাজি সমবেত হয়েছেন, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় বার্ষিক ধর্মীয় সমাবেশগুলোর একটি। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের তুলনায় এবার হাজির সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়েছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও হজে অংশ নেওয়ার বৈশ্বিক আগ্রহ অব্যাহত রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সৌদি আরবের বাইরে থেকে ১৫ লাখ ৪০ হাজারের বেশি হাজি এসেছেন, যাদের বেশিরভাগই বিমানপথে পৌঁছেছেন। এছাড়া দেশের ভেতর থেকেও প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ হজে অংশ নিয়েছেন। সৌদি কর্মকর্তারা জানান, অবকাঠামো সম্প্রসারণ
সৌদি বাদশাহ সালমান বিল আব্দুল আজিজ আল সৌদ ও যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন নেতার কাছ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি প্রেস এজেন্সি।
বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান শুভেচ্ছা ও দোয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পাল্টা বার্তা পাঠিয়েছেন।
সৌদি নেতৃত্ব মুসলিম বিশ্বের অব্যাহত নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন এবং হজ ও ঈদ মৌসুমে সবার ইবাদত কবুলের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন।
এ শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় সৌদি আরবে হজ পালনের জন্য ১৭ লাখের বেশি হাজি সমবেত হয়েছেন, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় বার্ষিক ধর্মীয় সমাবেশগুলোর একটি।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের তুলনায় এবার হাজির সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়েছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও হজে অংশ নেওয়ার বৈশ্বিক আগ্রহ অব্যাহত রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেছে।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সৌদি আরবের বাইরে থেকে ১৫ লাখ ৪০ হাজারের বেশি হাজি এসেছেন, যাদের বেশিরভাগই বিমানপথে পৌঁছেছেন। এছাড়া দেশের ভেতর থেকেও প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ হজে অংশ নিয়েছেন।
সৌদি কর্মকর্তারা জানান, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, ডিজিটাল সেবা এবং উন্নত জনসমাগম ব্যবস্থাপনার কারণে মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফার মধ্যে হাজিদের চলাচল আরও সহজ হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচিও সম্প্রসারণ করেছে। এর মাধ্যমে হাজিরা নিজ নিজ দেশ থেকেই ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। চলতি বছর প্রায় ৩ লাখ ৮৯ হাজার হাজি এই সুবিধা নিয়েছেন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি।
এবারের হজ পরিচালনায় ৪ লাখ ৪১ হাজারের বেশি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবহন সমন্বয়কারী ও জরুরি সেবা দলের সদস্যরা হাজিদের নিরাপত্তা ও চলাচল তদারকি করছেন।
সূত্র: আরব নিউজ
এমএসএম
What's Your Reaction?