ঈদের আগে সুখবর পেলেন শিক্ষকরা

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়িয়ে মূল বেতনের ৬০ শতাংশ করার সুপারিশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পাঠানো এক আধা সরকারি পত্রে (ডিও লেটার) এ সুপারিশ করেন তিনি। চিঠিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অপরিসীম। তাদের চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা সেবার মানোন্নয়ন করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে শিক্ষা খাতের তুলনায় ভৌত অবকাঠামো খাতে বেশি ব্যয় হওয়ায় শিক্ষার বাজেট সংকুচিত হয়েছে। এতে শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সামাজিক অবস্থানে বৈষম্য তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি উত্তরণে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৫১ জন। তারা এখন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এ ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ভাতা বৃদ্ধির কারণ

ঈদের আগে সুখবর পেলেন শিক্ষকরা

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়িয়ে মূল বেতনের ৬০ শতাংশ করার সুপারিশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পাঠানো এক আধা সরকারি পত্রে (ডিও লেটার) এ সুপারিশ করেন তিনি।

চিঠিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অপরিসীম। তাদের চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা সেবার মানোন্নয়ন করা সরকারের দায়িত্ব।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে শিক্ষা খাতের তুলনায় ভৌত অবকাঠামো খাতে বেশি ব্যয় হওয়ায় শিক্ষার বাজেট সংকুচিত হয়েছে। এতে শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সামাজিক অবস্থানে বৈষম্য তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতি উত্তরণে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৫১ জন।

তারা এখন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এ ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এতে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ভাতা বৃদ্ধির কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে বছরে ১৯০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা-মোট ২৮৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রয়োজন হবে।

এ অবস্থায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন এহছানুল হক মিলন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow