ঈদের দিন জমি-সংক্রান্ত বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
মুন্সীগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ জেরে মোয়াজ্জেম (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২১ মার্চ) রাত ৭টার দিকে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দরজারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোয়াজ্জেম মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের আকালমেঘ গ্রামের তমিজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মোয়াজ্জেম মোল্লাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় পাশে ফেলে রেখে চলে যায় সন্ত্রাসীরা। ওই হামলাকারীদের ভয়ে তাকে কেউ উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি। সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার পর কয়েকজন মিলে অটোতে করে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মা রেনু বেগম বলেন, ‘জমিজমা নিয়ে আমার দেবর হাফিজ উদ্দিন মোল্লার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। কিছুদিন আগেও তারা আমার ছেলেকে সন্ত্রাসী ভাড়া করে হত্যা করার হুমকি দেন। আমার ছেলে আলদি বাজার থেকে ফেরার সময় তাকে রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ছেলের পুরো শরীরে কোপানোর চিহ্ন আছে। ঈদে ঘুরতে গেছে সাদা পাঞ্জাবি পড়ে সেই, পাঞ্জাবি এখন রক্তে লাল। আমার ধারণা আমার দেবরের ছেলে মেজবাহ আর ফেরদৌস ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে ছেলেকে হত্যা করেছে। আ
মুন্সীগঞ্জে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ জেরে মোয়াজ্জেম (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২১ মার্চ) রাত ৭টার দিকে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দরজারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোয়াজ্জেম মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের আকালমেঘ গ্রামের তমিজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মোয়াজ্জেম মোল্লাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় পাশে ফেলে রেখে চলে যায় সন্ত্রাসীরা। ওই হামলাকারীদের ভয়ে তাকে কেউ উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি। সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার পর কয়েকজন মিলে অটোতে করে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মা রেনু বেগম বলেন, ‘জমিজমা নিয়ে আমার দেবর হাফিজ উদ্দিন মোল্লার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। কিছুদিন আগেও তারা আমার ছেলেকে সন্ত্রাসী ভাড়া করে হত্যা করার হুমকি দেন। আমার ছেলে আলদি বাজার থেকে ফেরার সময় তাকে রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ছেলের পুরো শরীরে কোপানোর চিহ্ন আছে। ঈদে ঘুরতে গেছে সাদা পাঞ্জাবি পড়ে সেই, পাঞ্জাবি এখন রক্তে লাল। আমার ধারণা আমার দেবরের ছেলে মেজবাহ আর ফেরদৌস ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে ছেলেকে হত্যা করেছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।’
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. অনুপ কুমার সাহা বলেন, ‘রাত পৌনে ৮টার দিকে তাকে একজন অটোচালক এখানে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসে। মৃত ব্যক্তির শরীরে ব্যাপক ধারাল অস্ত্রের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তাকে কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, সেটা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. ফিরোজ কবির জানান, কারা এই হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’