ঈদের নামাজের ইমাম নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাঁ মাঠে আসন্ন ঈদের নামাজের ইমাম নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় সাত নেতাকর্মীসহ আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার সাঁকোয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. আলাউদ্দিন (৬৫) ওই এলাকার মৃত মালা বক্সের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাঁকোয়া গ্রামের একটি ঈদগাহ মাঠে আসন্ন ঈদুল ফিতরের নামাজের ইমাম নির্ধারণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মডেল মসজিদে মুসল্লিদের একটি বৈঠক হয়। বৈঠকের একপর্যায়ে আলাউদ্দিনের ছেলেদের সঙ্গে বিএনপিকর্মী ওমর ফারুক, মো. রাসেল, আব্দুল করিম ও আব্দুল কুদ্দুসসহ কয়েকজনের কথাকাটাকাটি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয় এবং স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনায়
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাঁ মাঠে আসন্ন ঈদের নামাজের ইমাম নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় সাত নেতাকর্মীসহ আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার সাঁকোয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. আলাউদ্দিন (৬৫) ওই এলাকার মৃত মালা বক্সের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাঁকোয়া গ্রামের একটি ঈদগাহ মাঠে আসন্ন ঈদুল ফিতরের নামাজের ইমাম নির্ধারণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মডেল মসজিদে মুসল্লিদের একটি বৈঠক হয়। বৈঠকের একপর্যায়ে আলাউদ্দিনের ছেলেদের সঙ্গে বিএনপিকর্মী ওমর ফারুক, মো. রাসেল, আব্দুল করিম ও আব্দুল কুদ্দুসসহ কয়েকজনের কথাকাটাকাটি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয় এবং স্থানীয় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ইমরান নাজির বাদী হয়ে শনিবার রাত দেড়টার দিকে মোহনপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিএনপির সাতজন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
জামায়াত নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি কর্মীরা আলাউদ্দিনকে ফেলে দিয়ে তার বুকের ওপর বসে মারধর করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, আলাউদ্দিন মারামারির সময় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।
এদিকে মোহনপুর উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল আউয়াল জানান, রোববার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে আলাউদ্দিনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকেলে নিজ এলাকা সাঁকোয়ায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে। জানাজায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমির ও রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মজিবুর রহমানসহ সংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
মোহনপুর থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দিন বলেন, ঈদের নামাজের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মারামারিতে আলাউদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আলাউদ্দিন নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।