ঈদের শেষে হাতের যত্ন নেবেন যেভাবে
ঈদ মানেই আনন্দ, অতিথি আপ্যায়ন আর নানা পদের সুস্বাদু খাবারের আয়োজন। তবে এই আনন্দের পেছনে থাকে অনেক পরিশ্রম, বিশেষ করে রান্নাঘরে কাটানো দীর্ঘ সময়। বিভিন্ন আইটেম রান্না করতে গিয়ে হাতের ওপর পড়ে বাড়তি চাপ। দিন শেষে তাই হাতের ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, শুষ্ক এবং ক্লান্ত। এই সময় মুখের ত্বকের মতো হাতের যত্ন নেওয়াও সমান জরুরি। কিছু সহজ উপায় মেনে চললেই ঈদের ব্যস্ততার মাঝেও হাতকে রাখা যায় কোমল ও সুন্দর- হাত পরিষ্কার রাখুন সঠিকভাবেরান্নার কাজ শেষে প্রথমেই হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি। একটি মাঝারি আকারের বাটিতে কুসুম গরম পানি নিন। তাতে একটি লেবুর রস এবং সামান্য লবণ মিশিয়ে নিন। এই পানিতে এক-দুই মিনিট হাত ডুবিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু-পানি বা মৃদু ক্ষারের সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। এতে হাতের তেলতেলে বা আঠালো ভাব সহজেই দূর হয়ে যাবে এবং হাত পরিষ্কার থাকবে। স্ক্রাবিংয়ে ফিরবে কোমলতাবারবার হাত ধোয়ার ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই স্ক্রাবিং করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরেই সহজে স্ক্রাব তৈরি করা যায়। অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে এক চামচ লবণ বা চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে নিন। এই স্ক্রাব দিয়ে দুই-তিন মিনিট হাতে আলতো
ঈদ মানেই আনন্দ, অতিথি আপ্যায়ন আর নানা পদের সুস্বাদু খাবারের আয়োজন। তবে এই আনন্দের পেছনে থাকে অনেক পরিশ্রম, বিশেষ করে রান্নাঘরে কাটানো দীর্ঘ সময়। বিভিন্ন আইটেম রান্না করতে গিয়ে হাতের ওপর পড়ে বাড়তি চাপ। দিন শেষে তাই হাতের ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, শুষ্ক এবং ক্লান্ত। এই সময় মুখের ত্বকের মতো হাতের যত্ন নেওয়াও সমান জরুরি।
কিছু সহজ উপায় মেনে চললেই ঈদের ব্যস্ততার মাঝেও হাতকে রাখা যায় কোমল ও সুন্দর-
হাত পরিষ্কার রাখুন সঠিকভাবে
রান্নার কাজ শেষে প্রথমেই হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি। একটি মাঝারি আকারের বাটিতে কুসুম গরম পানি নিন। তাতে একটি লেবুর রস এবং সামান্য লবণ মিশিয়ে নিন। এই পানিতে এক-দুই মিনিট হাত ডুবিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু-পানি বা মৃদু ক্ষারের সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। এতে হাতের তেলতেলে বা আঠালো ভাব সহজেই দূর হয়ে যাবে এবং হাত পরিষ্কার থাকবে।
স্ক্রাবিংয়ে ফিরবে কোমলতা
বারবার হাত ধোয়ার ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই স্ক্রাবিং করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘরেই সহজে স্ক্রাব তৈরি করা যায়। অলিভ অয়েল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে এক চামচ লবণ বা চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে নিন।
এই স্ক্রাব দিয়ে দুই-তিন মিনিট হাতে আলতো করে ম্যাসাজ করুন। এরপর ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। চাইলে লেবুর রস ও চিনি মিশিয়েও স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এতে হাত নরম ও উজ্জ্বল হবে।
দাগ দূর করতে মাস্ক ব্যবহার
সারাদিন রান্না করতে গিয়ে হাতে ও নখে মসলার দাগ পড়ে যেতে পারে। এই দাগ দূর করতে একটি সহজ মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। দুই চামচ বেকিং সোডা, দুই চামচ লেবুর রস এবং সামান্য শ্যাম্পু মিশিয়ে হাতে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে নখ ও হাত আলতো করে ব্রাশ করুন। এতে সহজেই দাগ উঠে যাবে।
চামড়া ওঠা রোধে যত্ন
অনেক সময় হাতের ত্বক শুষ্ক হয়ে চামড়া উঠতে শুরু করে। এই সমস্যা এড়াতে হাত নিয়মিত ময়েশ্চারাইজ করা জরুরি। আধা কাপ টকদই, ২ টেবিল চামচ বেসন, ১ টেবিল চামচ গুঁড়া দুধ এবং ১ টেবিল চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। এটি হাতে লাগালে ত্বক মসৃণ হবে।
হাতকে কোমল রাখতে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার
হাতের কোমলতা ধরে রাখতে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। এর জন্য আধা কাপ নারিকেল তেল বা এক কাপ জলপাই তেলের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ গ্লিসারিন ও আধা কাপ গোলাপজল মিশিয়ে একটি বোতলে সংরক্ষণ করুন। প্রতিবার হাত ধোয়ার পর এটি ব্যবহার করলে হাত দীর্ঘসময় কোমল ও আর্দ্র থাকবে।
ঈদের ব্যস্ততায় হাতের যত্ন নেওয়া অনেক সময় অবহেলিত হয়। কিন্তু সামান্য সচেতনতা ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে সহজেই হাতকে রাখা যায় নরম, সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?