ঈশ্বরদী ইপিজেডের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে প্রধান ফটক তালাবদ্ধ করে কারখানার সামনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন কর্মরত শ্রমিকরা। ফলে সকাল থেকে কয়েক ঘণ্টা ইপিজেডের প্রবেশ পথ বন্ধ থাকে। প্রধান ফটকের বাইরে কয়েক হাজার শ্রমিক অবস্থান নেন। শনিবার (৯ মে ) সকালে ইপিজেড গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় শ্রমিকদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়। এতে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভাড়া পুনর্নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে সকাল থেকেই শ্রমিকরা প্রধান ফটকের সামনে আন্দোলন শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। খবর পেয়ে বেপজা কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। পরে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বেপজা কর্তৃপক্ষের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় শ্রমিকদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পর শ্রমিকরা প্রধান ফটকের তালা খুলে দেন এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়। ইপিজেডের শ্রমিক আব্দুল আলিম জানান,
পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে প্রধান ফটক তালাবদ্ধ করে কারখানার সামনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন কর্মরত শ্রমিকরা। ফলে সকাল থেকে কয়েক ঘণ্টা ইপিজেডের প্রবেশ পথ বন্ধ থাকে। প্রধান ফটকের বাইরে কয়েক হাজার শ্রমিক অবস্থান নেন।
শনিবার (৯ মে ) সকালে ইপিজেড গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় শ্রমিকদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়। এতে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভাড়া পুনর্নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে সকাল থেকেই শ্রমিকরা প্রধান ফটকের সামনে আন্দোলন শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।
খবর পেয়ে বেপজা কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। পরে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বেপজা কর্তৃপক্ষের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় শ্রমিকদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পর শ্রমিকরা প্রধান ফটকের তালা খুলে দেন এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।
ইপিজেডের শ্রমিক আব্দুল আলিম জানান, তারা অনেকেই পাবনা, কুষ্টিয়া, চাটমোহর, রাজশাহীর বাঘাসহ আশেপাশের জেলা-উপজেলার থেকে রিজার্ভ বাস ও ভটভটিতে ইপিজেডে যাতায়াত করেন। এখন বাস চালকরা ৫০০ টাকা ও ভটভটি চালকরা ২০০-৩০০ টাকা ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা যে বেতন পাই তা দিয়ে আমাদের সংসার চালানো কঠিন। তারপর যাতায়াত ভাড়া দিতে হিমশিম খেতে হয়। এখন যাতায়াত ভাড়া বাড়ালে আমাদের চলাচল কষ্ট হয়ে যাবে। আমরা এ মুহূর্তে বাড়তি ভাড়া দিতে পারছি না। এজন্য বাধ্য হয়ে শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছি।
ঈশ্বরদী ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের কিছু দাবি ও পরিবহণ ভাড়া বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে সাময়িক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। আমরা শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তাদের দাবিগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলছে।
শেখ মহসীন/এনএইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?