উন্নয়ন তহবিল থেকে ১০ শতাংশ কমিশন দাবি ইউপি সচিবের

ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের টাকা থেকে কমিশন দাবির অভিযোগ উঠেছে ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদিয়া ইউপি সচিবের কমিশন দাবির এমন একটি ভিডিও কালবেলা প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পাওয়া ওই ভিডিওতে ইউপি সচিব আমিনুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, তাকে ১০ শতাংশ এবং উপজেলা প্রশাসনের জন্য ৫ শতাংশ কমিশন দিতে হবে। ভিডিওতে আরও বলতে শোনা যায় সরকারি ভ্যাট-ট্যাক্স ১৭ শতাংশ, জামানত ৫ শতাংশ, তাকে ১০ শতাংশ এবং উপজেলা পরিষদকে ৫ শতাংশসহ মোট ৩৭ শতাংশ কমিশন দিতে হবে। মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. ফোরকান হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে মিটিংয়ে বসেছিলাম। আলোচনার একপর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের সাড়ে ৬ লাখ টাকার কাজ নিয়ে কথা হয়। এসময় সদ্য যোগদান করা সচিব আমিনুল ইসলাম ওই কাজ থেকে ১০ শতাংশ কমিশন দাবি করেন। এছাড়া উপজেলা পরিষদের জন্য ৫ শতাংশ কমিশন দাবি করেছেন। কমিশনের বিষয়ে তখন উপস্থিত ইউপি সদস্যরা প্রতিবাদ করে বলেন; আগে তো এভাবে কেউ নেননি। তবে কমিশন দাবির বি

উন্নয়ন তহবিল থেকে ১০ শতাংশ কমিশন দাবি ইউপি সচিবের

ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের টাকা থেকে কমিশন দাবির অভিযোগ উঠেছে ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। মুরাদিয়া ইউপি সচিবের কমিশন দাবির এমন একটি ভিডিও কালবেলা প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পাওয়া ওই ভিডিওতে ইউপি সচিব আমিনুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, তাকে ১০ শতাংশ এবং উপজেলা প্রশাসনের জন্য ৫ শতাংশ কমিশন দিতে হবে। ভিডিওতে আরও বলতে শোনা যায় সরকারি ভ্যাট-ট্যাক্স ১৭ শতাংশ, জামানত ৫ শতাংশ, তাকে ১০ শতাংশ এবং উপজেলা পরিষদকে ৫ শতাংশসহ মোট ৩৭ শতাংশ কমিশন দিতে হবে।

মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান মো. ফোরকান হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে মিটিংয়ে বসেছিলাম। আলোচনার একপর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন তহবিলের সাড়ে ৬ লাখ টাকার কাজ নিয়ে কথা হয়। এসময় সদ্য যোগদান করা সচিব আমিনুল ইসলাম ওই কাজ থেকে ১০ শতাংশ কমিশন দাবি করেন। এছাড়া উপজেলা পরিষদের জন্য ৫ শতাংশ কমিশন দাবি করেছেন। কমিশনের বিষয়ে তখন উপস্থিত ইউপি সদস্যরা প্রতিবাদ করে বলেন; আগে তো এভাবে কেউ নেননি।

তবে কমিশন দাবির বিষয়টি অস্বীকার করে ইউপি সচিব আমিনুল ইসলাম জানান, এগুলো তিনি বলেননি, এটা এআই ভিডিও হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুলাহ খায়রুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী দৈনিক কালবেলাকে বলেন, এভাবে কমিশন নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই, কেউ এমন কমিশন নিলে বা দাবি করলে সেটা তার একান্তই নিজস্ব বিষয়। তবে এই ঘটনা সত্য হলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow