উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারিসহ ৬ নেতাকর্মী কারাগারে

রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় ‘গোপন বৈঠক’-এর অভিযোগে গ্রেপ্তার চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারিসহ ৬ নেতাকর্মীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৩ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।  আসামিরা হলেন, চৌগাছা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মেহেদী মাসুদ চৌধুরী (৫৫), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি (বর্তমানে  উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সেক্রেটারি) মো. ইব্রাহিম হোসেন (৩৩), উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে এস এম রেজওয়ান হাবিব আলিফ (৩৩), মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. নান্নু মিয়া (৩৮), ব্যবসায়ী মো. আমিনুর রহমান (৪২) ও তার ভাগনে সজল আহমেদ (২৯)। এদিন তিন দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। এরপর আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই কে এম মফিজুর রহমান। অন্যদিকে জামিন চান আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প

উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারিসহ ৬ নেতাকর্মী কারাগারে

রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় ‘গোপন বৈঠক’-এর অভিযোগে গ্রেপ্তার চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারিসহ ৬ নেতাকর্মীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৩ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। 

আসামিরা হলেন, চৌগাছা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মেহেদী মাসুদ চৌধুরী (৫৫), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি (বর্তমানে  উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সেক্রেটারি) মো. ইব্রাহিম হোসেন (৩৩), উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে এস এম রেজওয়ান হাবিব আলিফ (৩৩), মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. নান্নু মিয়া (৩৮), ব্যবসায়ী মো. আমিনুর রহমান (৪২) ও তার ভাগনে সজল আহমেদ (২৯)।

এদিন তিন দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। এরপর আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই কে এম মফিজুর রহমান। অন্যদিকে জামিন চান আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।

আসামিদের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানান, আসামিরা কার্যক্রমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সক্রিয় নেতা। তারা দীর্ঘদিন ধরে গুলশান থানা এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গোপন পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করে আসছে।

এর আগে শুক্রবার (০৭ আগস্ট) গুলশানের পুলিশ প্লাজার পঞ্চম তলার একটি রেস্তোরাঁ থেকে রাতে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow