উপসাগরীয় অঞ্চলে আর ‘নিরাপদ আশ্রয়’ পাবে না যুক্তরাষ্ট্র: মোজতবা খামেনি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো আর মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ঢাল হিসেবে কাজ করবে না এবং এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র আর নিরাপদ আশ্রয় পাবে না। মঙ্গলবার (২৬ মে) নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। এমন সময় এ বক্তব্য এলো, যখন তেহরান ও ওয়াশিংটন তিন মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি কাঠামো নিয়ে আলোচনা করছে। খামেনি বলেন, সময়ের চাকা পেছনে ফেরে না, এবং এই অঞ্চলের জাতি ও ভূখণ্ড আর আমেরিকান ঘাঁটির ঢাল হিসেবে কাজ করবে না। এই অঞ্চলে অশুভ কর্মকাণ্ড কিংবা সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আমেরিকা আর কোনো নিরাপদ আশ্রয় পাবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্চ মাসে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি এখনো জনসমক্ষে উপস্থিত হননি। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নতুন প্রধান মোহাম্মদ বাকের জোলঘাদর দেশটির জনগণের উদ্দেশে দেওয়া প্রথম বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, লড়াইয়ে পিছু হটা হবে না। জোলঘাদর বলেন, সাম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো আর মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ঢাল হিসেবে কাজ করবে না এবং এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র আর নিরাপদ আশ্রয় পাবে না।
মঙ্গলবার (২৬ মে) নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। এমন সময় এ বক্তব্য এলো, যখন তেহরান ও ওয়াশিংটন তিন মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি কাঠামো নিয়ে আলোচনা করছে।
খামেনি বলেন, সময়ের চাকা পেছনে ফেরে না, এবং এই অঞ্চলের জাতি ও ভূখণ্ড আর আমেরিকান ঘাঁটির ঢাল হিসেবে কাজ করবে না। এই অঞ্চলে অশুভ কর্মকাণ্ড কিংবা সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য আমেরিকা আর কোনো নিরাপদ আশ্রয় পাবে না।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্চ মাসে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি এখনো জনসমক্ষে উপস্থিত হননি।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নতুন প্রধান মোহাম্মদ বাকের জোলঘাদর দেশটির জনগণের উদ্দেশে দেওয়া প্রথম বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, লড়াইয়ে পিছু হটা হবে না।
জোলঘাদর বলেন, সামরিক ক্ষেত্র, কূটনৈতিক অঙ্গন এবং রাস্তায় নেমে আসা জনগণ তাদের সাহসী প্রতিরোধের মাধ্যমে শত্রুকে নতজানু করেছে।
গত মার্চে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান জোলঘাদর। তিনি নিহত আলী লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হন। লারিজানি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছিলেন।
জোলঘাদর এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, লারিজানির মৃত্যুর পর তার নিয়োগ ইরানে আইআরজিসির প্রভাব আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম
What's Your Reaction?